প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টালিউডের জনপ্রিয় গায়িকা দেবলীনা নন্দী এবং তাঁর পাইলট স্বামী প্রবাহ নন্দীর দাম্পত্য সম্পর্ক বর্তমানে ভাঙনের পথে। আইনি বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলাকালীন শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র আনতে গিয়ে অপমানজনক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এই শিল্পী।
তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও বার্তায় পুরো ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কয়েক মাস আগে, দেবলীনার আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে তিনি রাজারহাটের বাসা ছাড়েন এবং বাবার বাড়িতে ফিরে যান। এরপর, স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের টানাপোড়েন প্রকাশ্যে চলে আসে, এবং আইনি বিচ্ছেদের পথ বেছে নেন তারা।
সম্প্রতি, চন্দননগর স্থিত শ্বশুরবাড়িতে আটকে থাকা নিজের জিনিসপত্র ফেরত নিতে পুলিশের একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান দেবলীনা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তিনি ও তাঁর বোন। প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস পেলেও, সবকিছু পেয়েছেন কিনা, তা তিনি দাবি করেছেন যে, পাননি।
দেবলীনার অভিযোগ হল, বিয়ের আশীর্বাদের সময় প্রবাহর পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া সোনার হার, যা তিনি স্ত্রীধনের অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন, সেটি তাঁকে ফেরত দেওয়া হয়নি। সিরিজে নিজের অর্থে কেনা কিছু আসবাবপত্রও শ্বশুরবাড়িতে রেখেছিলেন এবং সেগুলো আর আনেননি।
তবে সবচেয়ে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে দেবলীনা জানান, যখন তিনি জিনিসপত্র বুঝে নেওয়ার জন্য গিয়েছিলেন, তখন তাঁর একটি ব্যাগ নিয়েও আপত্তি তোলা হয়। সেই ব্যাগে ব্যক্তিগত ব্যবহার্য অন্তর্বাস ছাড়া আর কিছু ছিল না, এমনটাই তাঁর দাবি। তবু সেটি খুলে দেখানোর জন্য চাপ দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল।
হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার প্রতিবেদনের উল্লেখ অনুযায়ী, দেবলীনা বলেন, ‘আমাকে রীতিমতো আমার অন্তর্বাস খুলে প্রদর্শন করে দেখাতে হয়েছে। আমার দেবর, যাকে আমি নিজের ভাই মনে করতাম, দেখলাম মুখ টিপে হাসছে।’
এই ঘটনার পর, তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘তাহলে এবার আপনারাই বলুন, কাকে আসল হেনস্তা হতে হলো?’ দেবলীনা জানান, পুরো পরিস্থিতিতে শেষ পর্যন্ত পুলিশের উপস্থিতিই তাঁকে সহায়তা করেছে। তবে এর আগে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, শ্বশুরবাড়িতে আটকে থাকা জিনিসপত্র উদ্ধারের বিষয়ে প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি।
উল্লেখ্য, প্রায় দেড় বছর আগে তাঁদের ভালোবেসে বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে এবং বর্তমানে তাঁরা আইনি বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন। এই সময়ের মধ্যেই শ্বশুরবাড়িতে নিজের জিনিসপত্র ফেরত আনতে গিয়ে অপমানজনক আচরণের অভিযোগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন