প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম. এ. মুহিত জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ এবং মৃত্যুর সংখ্যা ছিল সর্বাধিক। ২০২০ এবং ২০২১ সালেও পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তবে বর্তমান সরকারের সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে ডেঙ্গু অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি টিকাদান, ই-ট্র্যাকার ও স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা বিষয়ক কর্মশালায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এই মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী খুলনা ও বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি বললেও রাজশাহী বিভাগে আক্রান্তের সংখ্যা কম জানিয়ে বলেন, মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে; তবে যথাযথ চিকিৎসা ও প্রকোপ কমানোর জন্য কাজ চলছে।
তিনি আরো বলেন, অতীতে গণমাধ্যমে লেখালেখি হলে তবেই সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ নিত। কিন্তু এবার তিন মাস আগে থেকেই তথ্য সংগ্রহ করে কাজ শুরু করা হয়েছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সারাদেশে স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চলছে এবং ডেঙ্গু চিকিৎসায় দুই হাজার চিকিৎসক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তিনি অতীতের তুলনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুহার কম বলেও দাবি করেন।
হামের প্রকোপ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় টিকা না দেয়ার কারণে পরিস্থিতি এ পর্যায়ে এসেছে। হাম করোনার চেয়ে অধিক সংক্রামক, একবার শুরু হলে থামানো কঠিন। তাই শত চেষ্টাতেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি। টিকাদান ক্যাম্পেইন চলছে এবং এ পর্যন্ত দুই কোটি শিশুকে টিকা প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা ঢেলে সাজানোর কাজ চলছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব কমপ্লেক্সে রোগ নির্ণয়ের সুবিধা থাকবে এবং ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসকদের উপস্থিতি বেড়ে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ হয়েছে। রোগীর তুলনায় চিকিৎসক কম থাকায় পাঁচ হাজার নতুন চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ছয় মাসে চিকিৎসক, নার্স এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ফিরেছে বলে তিনি দাবি করেন।
সেমিনারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন