প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রেলসেবায় সময়সূচি ও স্টেশন ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। ০৩ অক্টবর ২০২৬ রাতে সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেসের অপেক্ষায় রাত গভীর পর্যন্ত শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান করতে দেখা গেছে যাত্রীদের।
সরকারি সময়সূচি অনুযায়ী, সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটির শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে রাত ১২টা ৫০ মিনিট থেকে ১২টা ৫৩ মিনিটের মধ্যে পৌঁছানোর কথা। তবে রাত ১টা পার হয়ে গেলেও ট্রেনটি স্টেশনে না আসায় অপেক্ষমাণ যাত্রীদের মধ্যে ভোগান্তি ও উদ্বেগ দেখা দেয়।
ট্রেনটির বিলম্বের কারণ ও সম্ভাব্য পৌঁছানোর সময় জানতে কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টারের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা। একাধিকবার খোঁজ করেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তার চেয়ারে পাওয়া যায়নি বলে জানান তারা।
এ বিষয়ে স্টেশনে দায়িত্ব পালনরত নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললে তিনি ধারণা করে বলেন, স্টেশন মাস্টার হয়তো ভেতরে রয়েছেন।
এদিকে, ট্রেনের বিলম্বের কারণ ও সঠিক সময় সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার কোনো তথ্য না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন অপেক্ষমাণ যাত্রীরা।
যাত্রীদের প্রশ্ন—রাতের বেলায় ট্রেনের জন্য অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষের কাছে সময়সূচি ও প্রয়োজনীয় তথ্য নিশ্চিত করার দায়িত্ব কার? রেলওয়ে স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ও যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা কতটা কার্যকরভাবে হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সাধারণ যাত্রীদের প্রত্যাশা, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেন চলাচল, যাত্রীদের তথ্য প্রদান এবং স্টেশন ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় সংস্কার ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন