প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই পাকিস্তানি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় পাকিস্তান ভারতের কূটনীতিককে তলব করেছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, শুক্রবার কাসুরের বেদিয়ান সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে দুই নিরস্ত্র পাকিস্তানি নাগরিক নিহত এবং একজন আহত হন। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।
ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে পাকিস্তান বলেছে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে কোনো উসকানি ছাড়াই। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নিহতদের ‘অনুপ্রবেশকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা তারা প্রত্যাখ্যান করে।
মন্ত্রণালয়ের দাবি, এই ঘটনায় মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পাকিস্তান দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত করতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং তদন্তের ফল ও গৃহীত পদক্ষেপ আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানকে জানানোর দাবি জানিয়েছে দেশটি।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর ভারতকে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। তারা সীমান্তের নিয়ম ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি মেনে চলার কথাও উল্লেখ করেছে, এ ধরনের ঘটনায় সংযম দেখানো এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
পাকিস্তানের দাবি, নিহত ও আহত তিনজনই লাধার গ্রামের বাসিন্দা এবং নিরস্ত্র ছিলেন। বিএসএফ কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় বলে অভিযোগ করেছে দেশটি। নিহত দুজনের নাম আজমত রসুল ও মহসিন জাট। আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা সূত্র জানায়, পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের একটি দাবি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাদের মতে, ওই তিনজনের কেউই সীমান্তের বেড়া পার হওয়ার চেষ্টা করেননি। ঘটনাটি সীমান্ত চুক্তি ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনার নিয়ম লঙ্ঘনের শামিল।
ঘটনাটি ঘটেছে এমন সময়ে, যখন পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের একটি দাবি নিয়ে কথা বলেন। দুই দেশের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে পারে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। তিনি কোনো ধরনের হামলা হলে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন। নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, ওই তিনজনের কেউই সীমান্তের বেড়া পার হওয়ার চেষ্টা করেননি। তাদের মতে, বিএসএফের গুলির ঘটনা সীমান্তের নিয়ম ও চুক্তির লঙ্ঘন।
ঘটনার একদিন আগে পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী ভারতের একটি দাবি নিয়ে কথা বলেন। দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। তিনি কোনো হামলা হলে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন