প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মোদিকে কৃতিত্ব দিয়ে তিনি দিল্লি ও মস্কোর মধ্যে ‘বিশেষ এবং সুবিধাপ্রাপ্ত’ কৌশলগত অংশীদারিকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছেন।
গত সপ্তাহে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে রুশ নেতা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানান, যেখানে তাকে এবং রুশ প্রতিনিধিদলকে আতিথেয়তা দেওয়া হয়েছিল। ভারতে অবস্থিত রুশ দূতাবাস ইনস্টাগ্রামে প্রধানমন্ত্রী মোদির উদ্দেশে প্রেসিডেন্ট পুতিনের শুভেচ্ছা বার্তাটি ‘দ্রুঝবা-দোস্তি’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে শেয়ার করেছে, যা রুশ ও হিন্দি শব্দের সমন্বয়ে বন্ধুত্ব বোঝায়।
পুতিনের বার্তার অনুবাদ প্রকাশ করে রুশ দূতাবাস জানায়, ‘আপনি আপনার দেশবাসীর কাছ থেকে গভীর সম্মান এবং বিশ্বমঞ্চে দারুণ কর্তৃত্ব যথাযথভাবেই উপভোগ করছেন। ভারত ও রাশিয়ার মধ্যকার বিশেষ ও সুবিধাপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে আপনার ব্যক্তিগত অবদানকে কোনোভাবেই কম করে দেখার সুযোগ নেই।’
বিবৃতিতে রুশ নেতা প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনাকে বস্তুনিষ্ঠ, খোলামেলা এবং ফলপ্রসূ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত বলে জানান।
পুতিন আরও বলেন, ‘যথারীতি আপনার সঙ্গে কথা বলাটা ছিল এক পরম আনন্দের অভিজ্ঞতা এবং আমাদের আলোচনা আরো একবার আপনার অসাধারণ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতাকে প্রমাণ করেছে। আমরা অবশ্যই আমাদের বন্ধুভাবাপন্ন জাতিগুলোর কল্যাণে জরুরি দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলোতে আমাদের গঠনমূলক সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।’
গত ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে পুতিন ভারতে এসেছিলেন। সফরকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে তারা মূল খাতগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং মধ্যপ্রাচ্য ও কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে চলমান সংঘাতগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। দ্বিপক্ষীয় আলোচনা শেষ হওয়ার পরপরই দুই নেতা একই গাড়িতে চড়ে একটি প্রদর্শনী পরিদর্শনে যান।
মোদি ও পুতিনের এই হৃদ্যতা নতুন কিছু নয়। গত ৩১ আগস্ট কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে ‘ওয়ার্ল্ড নোম্যাড গেমস’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময়ও তাঁদের একই গাড়িতে ভ্রমণ করতে দেখা গিয়েছিল। এমনকি গত বছরও চীনের তিয়ানজিনে এসসিও নেতা সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের ভেন্যুতে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট পুতিন একই গাড়ি ব্যবহার করেছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন