প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিরিয়ার একটি পরিত্যক্ত বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক আলোচনার সূচনা হয়েছে। ইসরায়েল বলছে, সেখানে তুরস্কের উপস্থিতি বিদ্যমান। তবে আঙ্কারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর পাতা কোনো ‘ফাঁদে’ পা দিতে রাজি নয়।
এই ঘটনার শুরু সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত আবু আল-জুহুর বিমানঘাঁটিকে কেন্দ্র করে। গৃহযুদ্ধের কারণে ২০১২ সাল থেকে বিমানঘাঁটিটি সম্পূর্ণ পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। সম্প্রতি সেখানে অপ্রত্যাশিতভাবে ধারাবাহিক বোমা হামলা চালায় ইসরায়েল। তাদের দাবি, জায়গাটি পুনরায় সচল করার জন্য সম্প্রতি সেখানে তুরস্কের একটি সামরিক প্রতিনিধি দল পরিদর্শন করেছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অভিযোগ করেছেন যে, তারা তুরস্কের এমন কোনো সামরিক অগ্রসরতা মেনে নেবেন না। কিন্তু তুরস্ক এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, হামলার পর বা আগে তাদের প্রতিনিধিদল সেখানে সময় কাটায়নি। তুরস্কের অভিমত হলো, ইসরায়েলের এই হামলা মূলত সিরিয়ার স্থিতিশীলতা ও অবকাঠামোর নষ্ট করার একটি প্রচেষ্টা। তারা সিরিয়ার সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় সর্বদাই পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।
হামলার পর উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলেও, তুরস্ক কোনো পালটা সামরিক ব্যবস্থা নেওয়ার ভাবনা করছে না। দেশের যোগাযোগ পরিচালক বুরহানেত্তিন দুরান বিষয়টি অত্যন্ত সাবলীলভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহু এমন অযৌক্তিক দাবি করছেন। তুরস্ক একটি অভিজ্ঞ দেশ। তাই তারা নেতানিয়াহুর মতো নেতাদের দ্বারা পাতা ফাঁদে পা দিয়ে ওই অঞ্চলের শান্তি এবং স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায় না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন