প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খুলনা, ৭ নভেম্বর, ২০২৬ : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু মন্তব্য করেছেন, ৭ নভেম্বর মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের মতো ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের কথাও আমাদের স্মরণে রয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ফ্যাসিবাদ ও একদলীয় অপশাসন থেকে যেভাবে দেশ রক্ষা পেয়েছিল, ঠিক একইভাবে চব্বিশের আগস্টেও ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব সংহতি দীর্ঘ পনেরো বছরের ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তি এনে দিয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। খুলনা সিটি কর্পোরেশন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ঐতিহাসিক এই দিনে স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় নীতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবময়।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশে বহুদলীয় রাজনীতি পুনঃপ্রবর্তন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেওয়া এবং একদলীয় শাসনের অবসান ঘটান।
রাজনীতিকে তিনি প্রান্তিক মানুষের কাছে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার খাল খনন কর্মসূচি, গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশের আদর্শ আজও আমাদের পথ দেখায়।
কেসিসি প্রশাসক ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর মাতৃভূমির স্বাধীনতা রক্ষায় রাজপথে নেমে আসা সেই অকুতোভয় সিপাহি এবং বীর জনতাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে কেসিসির সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলামসহ কেসিসির কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রূহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন কেসিসি মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. হাবিবুল্লাহ।
উল্লেখ্য, দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান ছাড়াও নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দ্বীপ ও সড়কসমূহ পতাকা দ্বারা সজ্জ্বিতকরণ এবং ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশু পার্ক ও লিনিয়র পার্কে শিশুদের বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন