বৃহস্পতিবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৯:৫২ এম
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সীর (বায়রা) প্রশাসক মো. আশরাফ হোসেনকে অপসারণের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করেছেন সংগঠনটির সদস্যরা।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর ইস্কাটন রোডে অবস্থিত বায়রা অফিসের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন বক্তারা উল্লেখ করেন যে, বায়রা প্রশাসক মো. আশরাফ হোসেনের অনৈতিক ও অযাচিত হস্তক্ষেপের ফলে বায়রা নির্বাচনের প্রক্রিয়ার প্রতি প্রশ্ন উঠছে। ভোটগ্রহণের জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ হওয়ার মাত্র একদিন আগে হাইকোর্ট নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত করে। বায়রার প্রশাসকের পক্ষ থেকে পরিচালিত অনৈতিক এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের কারণে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ও অযৌক্তিকভাবে নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করা হচ্ছে, বিশেষ করে জাতীয় নির্বাচনের সময়।
এই পরিস্থিতিতে, বায়রার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আন্তর্জাতিক এসব এজেন্সির সদস্যরা বায়রা প্রশাসক মো. আশরাফ হোসেনকে অবিলম্বে পদ ত্যাগ করার আহ্বান জানান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে দ্রুত নতুন ও নিরপেক্ষ প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার দাবিও রাখেন।
বায়রার সাবেক সহসভাপতি আবুল বারাকাত ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব টিপু সুলতান, ফোরাব মহাসচিব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, বায়রার সাবেক নেতা কে এম মোবারক উল্লাহ শিমুল, মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, আব্দুল গফুর ভূঁইয়া, আতিকুর রহমান বিশ্বাস, কবির, মাহফুজুর রহমান, অলি উল্লাহ মোহাম্মদ হানিপ এবং ই এম এস সাগর শাহিন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে, একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোটও। এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হচ্ছে। ইসি স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে যে, নির্বাচনী প্রচারণার সময় প্রার্থীদের কী কী করতে হবে এবং কোন বিষয়গুলো এড়িয়ে চলতে হবে।
ইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য সব প্রার্থী এবং সংশ্লিষ্টদের আচরণ বিধিমালা কঠোরভাবে মানতে হবে।
বিধি ৪-এর উপ-বিধি (৩) সংশোধন করে প্রার্থীর দায়বদ্ধতা আরো স্পষ্ট করা হয়েছে। আগে ‘করা যাইবে না’ ছিল, তা পরিবর্তন করে ‘করিতে পারিবেন না’ শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করা হয়েছে। আর্থাৎ, ব্যক্তিগতভাবে বা প্রভাবে কোনো সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা বা ফলক উন্মোচন করা করা যাবে না।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীকে জনসভা করার জন্য কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে স্থান ও সময় স্থানীয় পুলিশকে জানাতে হবে। পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে। প্রচারণা শুরুর পূর্বে রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে তাদের কর্মসূচি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে।
এছাড়া, কোনো প্রার্থীর ফেস্টুন বা ব্যানারে অন্য প্রার্থীর প্রচারণার সামগ্রী লাগানো যাবে না। প্রতিযোগিতামূলক প্রার্থীর প্রচারসামগ্রী ধ্বংস বা বিকৃত করা দোষণীয়। নির্বাচনী এলাকায় বিলবোর্ড ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে, যাতে একটি ইউনিয়নে বা পৌরসভায় গৃহীত বিলবোর্ড সংখ্যা ২০টির বেশি না হয়।
নির্বাচনী জনসভায় মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও নতুন সীমা নির্ধারিত হয়েছে। একক জনসভায় তিনটির বেশি মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না, কিন্তু সাধারণ প্রচারণার ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে এই পরিবর্তনগুলো প্রয়োজনীয় ছিল। নতুন বিধিগুলো অমান্য করা হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা রয়েছে এই সংশোধনীতে। যেকোনো প্রার্থী বা দলের জন্য সর্বাধিক ছয় মাসের কারাদণ্ড কিংবা দেড় লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে। এমনকি তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হলে প্রার্থিতাও বাতিল করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, মব তৈরি করে জনমত প্রভাবিত করার সময় এখন আর নেই। গতকাল কল্যাণপুরের ইবনে সিনা হাসপাতালে হামলার শিকার আহতদের দেখতে এসে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি রাজধানীর মিরপুরে দলের কর্মীদের ওপর হামলা ও হেনস্তার বিষয়ে তীব্র নিন্দা জানান।
তিনি বলেন, 'আমরা এই নোংরা মবের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করি এবং চাই যে, মব এখানেই শেষ হয়ে যাক। বর্তমানে মানুষ অনেক সচেতন; তাই মব দিয়ে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ হয়ে গেছে। সবাই নিজের বক্তব্য, দলের অনুসরণ ও আদর্শ নিয়ে জনগণের কাছে যাবে। জনগণ অতীত ও বর্তমান বিবেচনা করে ভবিষ্যতে নিজেদের জন্য কাদের ওপর আস্থা রাখবে, সে সিদ্ধান্ত নেবে।'
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, 'নির্বাচন সুষ্ঠু করতে জামায়াত সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। তবে যারা নাশকতা করবে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে, নির্বিশেষে।'
তিনি উল্লেখ করেন, সবাই নিজেদের মতো করে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতি ও কার্যক্রম নিয়ে যাবে। জনগণ তাদের অতীত ও বর্তমানের চিন্তা করে ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নেবে। আমাদের প্রতিশ্রুতি একেবারেই স্পষ্ট: আমরা ন্যায়, ইনসাফ এবং দুর্নীতিমুক্ত শাসন চাই। ৩০০ আসনের প্রার্থীদের আমি অনুরোধ করছি, দয়া করে মানুষকে স্বাধীনভাবে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে দিন। জনগণের ভোটে যে-ই নির্বাচিত হোক, রাজনৈতিক দলগুলোকে সেই ফলাফল মেনে নিয়ে সহযোগিতা করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নতুন ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে তারেক রহমান তাঁর অভিপ্রায় জানিয়ে বলেছেন, ‘গত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদের জাঁতাকলে নিষ্পেষিত জনতার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি এবং ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষের জন্য শান্তির পরিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’
গতকাল সন্ধ্যায় গুলশানের বিএনপি কার্যালয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা এ কে এম আশরাফুল হক।
এছাড়াও, তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সাতটি রাজনৈতিক দলের নেতারা, যাদের মধ্যে ছিল বিজেপির আন্দালিভ রহমান (পার্থ), গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী এবং আরও অন্যান্য দলের প্রতিনিধিরা। তারা বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক ভাবনার সমর্থনে একত্রিত হন।
মাওলানা এ কে এম আশরাফুল হক সংঘেরীত বক্তব্যে বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়তে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে যথোপযুক্ত উত্তরসূরি হিসেবে হত্যাকারী বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রয়োজন।’ তিনি উল্লেখ করেন, ২০২০ সাল থেকে আজকের দিন পর্যন্ত বিএনপির সাথে সহযোদ্ধা হিসেবে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি রাজপথে আন্দোলন করেছে।
এরপর, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে তিনি বলেন, 'আমাদের রাজনীতি পলিসিনির্ভর হতে হবে।' তিনি আরও বলেছেন, সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য গঠনমূলক আলোচনা করতে হবে।
রাজধানী উন্নয়নের পরিকল্পনা সম্পর্কে তারেক রহমান বলেন, ‘ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নাগরিক সমস্যা সমাধানের উপর গুরুত্ব দিতে হবে।' পাশাপাশি, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খেত্রেও উন্নয়ন করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
তারেক রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘বুড়িগঙ্গাকে লন্ডনের টেমস নদীর আদলে গড়ে তুললে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘সকলের মূল্যায়ন পাওয়ার অধিকার রয়েছে।'
এছাড়া, মাইলস্টোন বিমান দুর্ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন, বলেন, 'আহতদের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।'
এই বৈঠকে উপস্থিত দেড়শ'র বেশি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। তারেক রহমান গভীর মনোযোগ দিয়ে তাঁদের কথাগুলি শোনেন এবং তাঁদের ধৈর্য ধরার স্বপ্ন দেখান।
উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই বিমান দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত হন এবং অনেক শিক্ষার্থী আহত হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) আগামী ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক শ্রেণির প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আজ স্বনির্ধারিত ভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এই পরীক্ষা সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শুরু হবে।
১৪টি বিভাগের ১ হাজার ২৩৫টি আসনের বিপরীতে মোট ১৮ হাজার ২৭৭ জন ভর্তিচ্চু পরীক্ষার্থীরা অংশ নেবেন। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এবারের পরীক্ষায় রুয়েটের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) কেন্দ্রেও পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পরীক্ষার্থীদের রোল নম্বর, পরীক্ষার কেন্দ্র ও আসন বণ্টনের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে এটি সংগ্রহ করেছেন।
ভারতীয় ভর্তি পরীক্ষার সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম জানান, ১৮ হাজার ২৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে রুয়েট কেন্দ্রে ৮ হাজার ৪৭৭ জন এবং বুয়েট কেন্দ্রে ৯ হাজার ৮০০ জন অংশগ্রহণ করবেন। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় দুইটি গ্রুপের (ক ও খ) অধীনে ১৪টি বিভাগের পরীক্ষা হবে। ক-গ্রুপের পরীক্ষার্থীরা রুয়েট কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরীক্ষা দেবেন, এবং একই দিনে দুপুর সোয়া ১২টা থেকে সোয়া ১টা পর্যন্ত খ-গ্রুপের ৬৭০ জন পরীক্ষার্থী রুয়েটে পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
অধ্যাপক নুরুল ইসলাম আরো জানান, পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা পরীক্ষার্থীদের উচ্চ মাধ্যমিকের মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড, ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটাধারীদের জন্য গোত্রপ্রধান প্রদত্ত সনদের সত্যায়িত ফটোকপি সাথে রাখতে হবে। পরীক্ষার সময় ভর্তি কমিটির অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ছাড়া অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস কিংবা কোনো প্রকার ব্যাগ নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ