প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বলেছেন, দুই দেশের শক্তিশালী সম্পর্ক নিয়ে তিনি ‘গর্বিত’।
রোববার, দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার পর এই তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালে রাশিয়া যখন ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর উত্তর কোরিয়া ক্রেমলিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্রে রূপান্তরিত হয়েছে। মস্কোর যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সহায়তার বিনিময়ে পিয়ংইয়ং এখন অর্থনৈতিক সুবিধা ও সামরিক প্রযুক্তি পাচ্ছে। এই ছাড়া দেশটি রাশিয়াকে সেনাও পাঠিয়েছে।
সিউল থেকে সংবাদ সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানাচ্ছে।
সরকারি কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির ইংরেজি ভাষার প্রতিবেদনে কিমের পুতিনকে লেখা চিঠির উল্লেখ করে বলা হয়েছে, ‘আপনার সঙ্গে একযোগে উত্তর কোরিয়া-রাশিয়া সম্পর্কের নেতৃত্ব দিয়ে অভিন্ন সংগ্রামের ইতিহাস এগিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের আরও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা করতে পারায় আমি সব সময় গর্বিত।’
ডিপিআরকে হলো উত্তর কোরিয়ার সরকারি নাম ডেমোক্রেটিক পিপলস রিপাবলিক অব কোরিয়ার সংক্ষিপ্ত রূপ।
কিম আরও বক্তব্য রাখেন যে, পুতিনের ‘দূরদর্শী নেতৃত্বে’ রাশিয়া সমৃদ্ধ হবে এবং তার ‘ভৌগোলিক অখণ্ডতা’ রক্ষা করবে এর ব্যাপারে তার ‘দৃঢ় বিশ্বাস’ রয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে জাপানের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কোরিয়ার মুক্তির বার্ষিকী উপলক্ষে পুতিন শুক্রবার কিমকে একটি চিঠি পাঠান। ওই চিঠিতে রুশ প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, দুই দেশের সম্পর্ক ‘অভূতপূর্ব উচ্চতায়’ পৌঁছেছে এবং এটি এখন ‘সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারিত্বের’ পর্যায়ে রয়েছে।
পুতিন বলেন, ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালানোর পাশাপাশি আমাদের দেশগুলো সব খাতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে।’
চিঠি বিনিময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ইউক্রেন চলতি মাসে অভিযোগ করেছে, মস্কো হামলায় উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। ওই হামলায় অন্তত নয়জন নিহত হয়েছে এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন