প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ বিশ্বকাপের একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচে ফিলাডেলফিয়ায় মুখোমুখি হয়েছে ইকুয়েডর ও আইভরিকোস্ট। প্রথমার্ধ শেষে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি, গোলশূন্য (০-০) অবস্থায় বিরতিতে গেছে দুটো দল। তবে এই প্রথমার্ধে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ এবং দারুণ সব সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার কাহিনীতে ভরপুর হয়েছে ম্যাচটি।
প্রথমার্ধে ইকুয়েডর কিছুটা বেশি বিপজ্জনক মনে হলেও তারা তাদের সেরা সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। ইকুয়েডরের অন্তত দুটি শট ক্রসবারে লেগে ফিরে এসেছে, এবং বেশ কয়েকটি দারুণ সুযোগ তারা নষ্ট করেছে। ম্যাচের ৩০ মিনিটে জন ইয়েবোহা এবং ৩৩ মিনিটে অ্যালান মিন্ডার দুটি নিশ্চিত গোলের শট অদ্ভুতভাবে ক্রসবারে লেগে ফিরে এসেছে।
অন্যদিকে, আইভরিকোস্টও তাদের আক্রমণভাগে ঝলক দেখিয়েছে। ২০২৩ সালের আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নরা আক্রমণ শানাতে কোনো রকম কার্পণ্য করেনি। ১৭ মিনিটে বাজুমানা ট্যুরের দুর্দান্ত এক শট ইকুয়েডরের গোলরক্ষক গালিন্ডেজের কারণের জন্য অল্পের জন্য জালের দেখা পায়নি।
প্রথমার্ধে বল দখলে সামান্য এগিয়ে ছিল ইকুয়েডর। তাদের পায়ে ৫৩ শতাংশ বল ছিল, আর আইভরিকোস্টের দখলে ছিল ৪৭ শতাংশ। দুই দলই ৬টি করে গোলমুখে শট নিয়েছে। তবে আইভরিকোস্টের শটগুলোর মধ্যে মাত্র একটি ছিল অন-টার্গেট।
প্রথমার্ধে আইভরিকোস্টের খেলোয়াড়দের বেশ কয়েকটি ফাউল করতে দেখা গেছে। ২৮ মিনিটে সেকো ফোফানা, ৩৮ মিনিটে অধিনায়ক ফ্রাঙ্ক কেসি এবং ৪১ মিনিটে ডুয়েলকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইভরিকোস্টের খেলোয়াড়দের এরকম অকারণ ফাউল তাদের বিপদের সৃষ্টি করতে পারে।
উভয় দলই সুযোগ তৈরি করছে, কিন্তু ফিনিশিংয়ের অভাব প্রথমার্ধে পার্থক্য গড়ে তুলেছে। এখন দেখা যাক, দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডর তাদের দুর্ভাগ্য জয় করে গোল পাবে কিনা, নাকি আইভরিকোস্ট তাদের আক্রমণ আরও ধারালো করে জয় নিবে? দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে আরও ৪৫ মিনিট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন