প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ে।
এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে দীঘিনালায় আসেন। সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তিনি খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়াকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে দুর্গম বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন, বন্যার কারণে ক্ষয়ক্ষতির বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয়দের দুর্ভোগের কথা শোনেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এসেছি। এলাকা যতই দুর্গম হোক, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে তাদের কষ্টের কথা শুনব এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক চিত্র তুলে ধরে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। কৃষক ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
এর আগে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ এবং সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়ার উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে জরুরি ত্রাণ সহায়তা বিতরণ করা হয়।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং দীঘিনালা উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, দুর্গম এলাকায় মোটরসাইকেলে করে জনপ্রতিনিধি ও প্রতিমন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন বন্যাদুর্গত মানুষের প্রতি আন্তরিকতার পরিচয় বহন করে। তারা দ্রুত পুনর্বাসন ও ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো সংস্কারের দাবি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন