প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজার নামাজ সোমবার (১ জুন) বাদ মাগরিব রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজার নামাজ শেষে, সেখানে মরদেহ রাখা হবে স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে। উক্ত মরদেহকে পরে মঙ্গলবার (২ জুন) হেলিকপ্টার বা মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যানে ভোলায় নেয়া হবে। তারপর জোহরের নামাজের পরে ভোলা জেলা স্কুল মাঠে আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় মৃত্যুবরণ করেন ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এই তোফায়েল আহমেদ। তার বয়স শেষ সময়ে ছিল ৮২ বছর।
তোফায়েল আহমেদের পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুর সময় তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
তোফায়েল আহমেদ ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ছিল মৌলভী আজহার আলী এবং মা ফাতেমা বেগম।
তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পান তোফায়েল আহমেদ।
এরপর ১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তোফায়েল আহমেদ ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে ছিলেন বর্ষীয়ান এ নেতা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন