প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গবেষণায় রচনাচুরির (প্লেজিয়ারিজম) অভিযোগকে কেন্দ্র করে চরম বিতর্কের মুখে পদত্যাগ করার মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় মারা গেছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক জেসন আরডে (৪১)। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দক্ষিণ লন্ডনের ব্যাটারসি এলাকার একটি আবাসন থেকে অচেতন অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ ঘটনাটিকে ‘অপ্রত্যাশিত’ উল্লেখ করলেও তারা কোনো সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে।
২০২৩ সালে কেমব্রিজের সর্বকনিষ্ঠ কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে আন্তর্জাতিক নজর কাড়েন আরডে। তবে সম্প্রতি আরেক শিক্ষাবিদ তার গবেষণাকর্মে একাধিক অসঙ্গতি ও রচনাচুরির অভিযোগ তুললে বিতর্ক তৈরি হয়। আরডে এসব অভিযোগ অস্বীকার করলেও নিজের অটিজমের কারণে প্রাথমিক কাজের কিছু ভুলের কথা স্বীকার করেছিলেন।
তবে প্রতিনিয়ত গণমাধ্যমের কড়া নজরদারি ও ব্যক্তিগত আক্রমণের মুখে গত সপ্তাহে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
আরডের পরিবার এক বিবৃতিতে জানান, ভুল তথ্যের বিষাক্ত প্রচারণা ও মানসিক চাপ তার জন্য অসহনীয় হয়ে উঠেছিল। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা জানান, পদত্যাগের পর তিনি তীব্র বিষণ্ণতায় ভুগছিলেন এবং কার্যত ঘরবন্দি ছিলেন। শিক্ষাজগতের কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ ও তাদের সুরক্ষার বিষয়ে এই ঘটনাটি একটি বড় সতর্কবার্তা বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডেবোরা প্রেন্টিস ও যুক্তরাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী লুসি পাওয়েল এই ঘটনায় গভীর শোক ও পরিবারটির প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। কেমব্রিজ ও তার পূর্ববর্তী কর্মস্থল গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় আরডের নিয়োগ ও গবেষণাসংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন