প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশদ্বারের মধ্যে অবস্থিত ১৩৬ বছরের পুরনো মসজিদ নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছে। সুরক্ষা রক্ষার স্বার্থে বিমানবন্দরের ভেতরের রানওয়ে সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী বাঁখড়া মসজিদটি সরানোর দাবি জানিয়েছেন উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার। এ কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ গত পাঁচদিন ধরে সেখানে নামাজ পড়া বন্ধ রেখেছে। এ ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গের এক কোটি মুসলিমের কাছে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানোর জন্য ডাক দিয়েছেন রাজ্যর সাবেক মন্ত্রী ও উলেমা-ই-হিন্দ নেতা সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) তিনি নিজে বাঁখড়া মসজিদে নামাজ পড়তে যাবেন। মসজিদে নামাজ পড়া বন্ধ করায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা হাতে কালো ব্যাজ পরে প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করবেন। প্রতিবাদের উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরের ৭ নম্বর গেটে জমায়েতের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা বিমানবন্দরের ভেতরে থাকা ওই মসজিদে নামাজ আদায় করবেন বলে জানিয়েছেন সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী।
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাবেক মন্ত্রী সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেছেন, পাঁচদিন হয়ে গেছে, তবে সেখানে কোনো আন্দোলন হয়নি। তিনি আরও বলেন, জোর করে মানুষদের নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই জুম্মাবারে মুসলিম সম্প্রদায়ের এক কোটি মানুষের কাছে অনুরোধ করেছি, কালো ব্যাজ পরে নামাজ পড়তে যাবেন। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবেন এবং সেখানে চলে আসবেন।
সাদ্দিকুল্লা চৌধুরী বলেন, এতে কোনো বিক্ষোভ প্রদর্শনের দরকার নেই। সেখানে কোনো মাইকিং বা ক্যানভাসিং থাকবে না। আমরা জুমার নামাজের সময় বেলা ১১টার দিকে গেটের সামনে যাব। ভারত সরকারের দেওয়া অথোরিটি আমাদের কাছে আছে এবং আমাদের রমজান মাসের ইফতারের ও নামাজের জন্য পারমিশন দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আইনের পথ অবলম্বন করব, বেআইনি কোনো কাজ করব না।
তার এই বক্তব্যের পর উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার বলেছেন, এই রাজ্যে কোনো জামায়াতি বা শরিয়াতি আইন চলবে না। এখানকার শান্তিপূর্ণ মুসলিম ভাইদের কাছে অনুরোধ, কারও উসকানিতে আইন ভাঙার কাজ করবেন না। তিনি বলেন, এখানে দেশ সবার আগে এবং নিরাপত্তা সবার আগে।
বিজেপি বিধায়ক আরও বলেন, নামাজ পড়ার জায়গার কোন আশাহত সমস্যা নেই। এত বড় মাদরাসা রয়েছে এবং অন্য কোনো মসজিদে নামাজ পড়তে পারেন। তাই আপনারা কোনো উসকানিতে পা দেবেন না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন