প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শুক্রবার দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি), কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার প্রেক্ষিতে চলমান ছাত্র আন্দোলনে ‘পুলিশি বর্বরতার’ প্রতিবাদে।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি বার্তায়, দলটি তাদের সমর্থক, ছাত্রসংসদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদেরকে প্রতি শহরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আয়োজনের জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
সিজেপি বিক্ষোভের আয়োজকদের উদ্দেশে বলেছে, ‘পুরো সমাবেশের সামনে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো উচ্চস্বরে পড়ে শোনান। অনুমতি ও আনুষঙ্গিক বিষয়গুলোর জন্য ছাত্রসংগঠন ও অন্য সংগঠনগুলোকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
অন্যদিকে, দেশটির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনা জন্য চারবার সিজেপির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে কিন্তু কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি মন্তব্য করেছেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনা দরজা সব সময় খোলা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চারবার তাদের সঙ্গে কথা বলার উদ্যোগ নিয়েছি, কিন্তু কোনো উত্তর পাইনি। আন্দোলনকারীরা চাইলে আলোচনা করার জন্য জে পি নাড্ডার বাসভবন কিংবা কার্যালয়ে আসতে পারেন।’
দেশের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে উল্লেখ করেছে, দিল্লিতে সিজেপির ‘চলো সংসদ’ মার্চের সময় সংঘর্ষ এবং বিভিন্ন রাজ্যে পুলিশি হামলার প্রতিবাদ হিসাবে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এসব ঘটনা আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার সংকল্পকে আরো দৃঢ় করেছে।
যদিও বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে, দিল্লি পুলিশ দাবি করেছে যে মার্চ চলাকালীন বিক্ষোভকারীরা সহিংস হয়ে ওঠে এবং তারা পুলিশ সদস্যদের উপর আক্রমণ করে এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর করে। দেশব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসাবে সংগঠনটি স্থানীয় আয়োজকদের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি), প্রচারসামগ্রী এবং স্মারকলিপির একটি টেমপ্লেট প্রকাশ করেছে।
নির্দেশিকার মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বিক্ষোভকারীদের নির্দিষ্ট স্থানে জমায়েত হয়ে শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো জনসমক্ষে পাঠ করতে হবে, সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় তথাকথিত পুলিশি বর্বরতার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি সংহতি জানাতে হবে এবং জেলা কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার জবাবদিহির দাবিতে দিল্লির যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ শুরু হয়।
এছাড়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সমর্থনে অ্যাক্টিভিস্ট সোনম ওয়াংচুক বিক্ষোভে যোগ দিয়ে আমরণ অনশন শুরু করার পর এই আন্দোলন আরো গতিশীল হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন