প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আয়ারল্যান্ডের আটলান্টিক উপকূলে অবস্থিত একটি ঐতিহ্যবাহী ও অপরূপ সুন্দর ছোট্ট গ্রাম ডুনবেগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখা হয় না, বরং এখানে তিনি একজন গলফ রিসোর্টের মালিক হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের অনেকের মতে, তিনি এই প্রত্যন্ত এলাকায় কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করেছেন।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, ট্রাম্প শনিবার আয়ারল্যান্ডে আসছেন। দুই দিনের সফরের প্রথম অংশে তিনি কয়েক ঘণ্টার জন্য রাজধানী ডাবলিনে অবস্থান করবেন। এরপর তিনি দেশের পশ্চিমাঞ্চলে ডুনবেগে নিজের মালিকানাধীন ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল গলফ লিংকসে যাবেন। সেখানে বৃহস্পতিবার থেকে আইরিশ ওপেন গলফ টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে।
কাউন্টি ক্লেয়ারের দুর্গম উপকূলের বিশাল বালিয়াড়ির মধ্যে অবস্থিত এই গলফ কোর্সে টুর্নামেন্টটি দেখতে ৭৫ হাজার দর্শক সমাগম হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ৮০ বছর বয়সী মার্কিন প্রেসিডেন্টের টুর্নামেন্টে উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। রোববার ফাইনাল রাউন্ড শেষে তিনি বিজয়ীর হাতে ট্রফি তুলে দেবেন বলেও আশা করা হচ্ছে।
যদিও স্থানীয়দের একাংশ ট্রাম্পের রিসোর্ট থেকে আসা অর্থনৈতিক সুবিধার প্রশংসা করেন, আয়ারল্যান্ডের অন্যান্য স্থানে তার সফর নিয়ে ব্যাপক বিরোধিতা দেখা দিয়েছে। দেশটিতে ট্রাম্প এখনও অত্যন্ত অজনপ্রিয়।
সানডে ইন্ডিপেনডেন্ট, আয়ারল্যান্ড থিংকস-এর এক জরিপে দেখা গেছে যে, আয়ারল্যান্ডের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ ট্রাম্পের এই সফরকে স্বাগত জানাচ্ছেন না।
শনিবার ডাবলিনে ‘ট্রাম্পকে স্বাগত নয়’ শিরোনামে একটি বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছে। গাজা, অভিবাসন ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে সেখানে বিক্ষোভকারীরা অংশ নেবেন।
সপ্তাহান্তে ডুনবেগ ও নিকটবর্তী শ্যানন বিমানবন্দর এলাকায়ও বিক্ষোভ হতে পারে। গত ১৮ মাসে ফিলিস্তিনপন্থী কর্মীরা এই গলফ কোর্সটিকে দুইবার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
ট্রাম্পের সফরকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা প্রস্তুতিও জোরদার করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ডুনবেগের প্রধান সড়কে পুলিশ টহল দিচ্ছে। নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আয়ারল্যান্ডের ইতিহাসে অন্যতম জটিল নিরাপত্তা অভিযান হিসেবে বিবেচিত একটি অভিযানের প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
এই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রায় ৪ হাজার আইরিশ ও মার্কিন নিরাপত্তাকর্মী যুক্ত থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে সশস্ত্র পুলিশ, স্নাইপার এবং ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তিও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন