প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে র্যাব-৭-এর অভিযানে ৭০ কেজি গাঁজাসহ কথিত মাদক কারবারি রবিউল আলম এবং তার সহযোগী রোকসানা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই গ্রেপ্তার অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয় বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায়, উপজেলার পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গোমারবাড়ি গ্রামের একটি বাড়িতে। পরে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) র্যাব-৭-এর পক্ষ থেকে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
র্যাব এবং স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা গোমারবাড়ি এলাকার পালোয়ান বাড়িকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে মাদক পাচারের অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি এই এলাকায় র্যাব একাধিক অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০০ কেজি গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার করেছে।
এসব ঘটনার কারণে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও রবিউল আলমকে অগ্রিম গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। গত ২৫ জুন রাতে একই এলাকায় অভিযান চালিয়ে র্যাব প্রায় ৩০০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে। ওই ঘটনার সময় অভিযুক্ত মুজিবুল হক প্রকাশ রবিউল ও রাজমিস্ত্রি সিয়ামকে সাক্ষী হওয়ার কথা বলে নিয়ে গিয়ে আসামি করা হয়েছে, এমন অভিযোগ ওঠে। পরে স্থানীয় গ্রামবাসী ও সুশীল সমাজ মানববন্ধন করে প্রকৃত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
এই ঘটনার ধারাবাহিকতায় র্যাব-৭ গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়। গত বুধবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিউল আলমের বাড়ির রান্নাঘরে অভিযান চালিয়ে ৭০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় গোমারবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে রবিউল আলম এবং তার সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত রিপন হোসেনের স্ত্রী রোকসানা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় র্যাব-৭, সিপিসি-১-এর পুলিশ পরিদর্শক মো. ফখরুদ্দীন আজাদ মোল্লা বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় একটি মামলা করেন।
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোছাইন উল্লেখ করেন, র্যাব ৭০ কেজি গাঁজাসহ দুজনকে থানায় হস্তান্তর করেছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন