প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আজ বুধবার রাজধানীর খামারবাড়িস্থ মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, অতিরিক্ত সার ব্যবহার করায় মাটির অম্লতা বেড়ে গেছে, ফলে মাটির উর্বরতা হ্রাস পেয়েছে। আমাদের মাটির উর্বরতা ফিরিয়ে আনতে হবে।
তিনি আজ বুধবার রাজধানীর খামারবাড়িস্থ মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সম্প্রসারণ মোঃ সেলিম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ মোঃ হাসান জাফির তুহিন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর গোলাম হাফিজ কেনেডি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ড. মোঃ শহিদুল ইসলাম।
মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়তে মাটির পিএইচ মান বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের কৃষি উন্নয়নে সাহায্য করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে বিজ্ঞানীদের আরো এগিয়ে আসতে হবে। কৃষি যদি দাঁড়ায়, তবে এই দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে যাবে।
মন্ত্রী মাটি ও কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে বলেন, 'পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো বছরের বেশিরভাগ সময় বরফে ঢাকা থাকে। আমাদের দেশে ১২ মাস ফসল উৎপন্ন হয়। আমাদের এই সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে।
মন্ত্রী আরো বলেন, 'এই দেশ আমাদের, এই পৃথিবী আমাদের। আসুন, সবাই মিলে আগামী প্রজন্মের জন্য কিছু দিতে প্রস্তুতি নিই। আমি আশা করছি, আপনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন। আমাদের আগাতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর বাংলাদেশ এবং সুন্দর পৃথিবী রেখে যেতে হবে। এটিই হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব ও কর্তব্য।'
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আবারো বলেন, 'মাটিকে নতুন করে সাজাতে (পিএইচ মান বৃদ্ধি) হবে। সর্বোচ্চ দুই বছরের মধ্যে একটি গবেষণার ফলাফল বের করতে হবে। এই বছরেই আমি দুইটি জায়গায় গবেষণা করার জন্য বলেছি- এক ফসল থেকে আরেক ফসলের মাঝে ১৫ দিনের ব্যবধান রাখতে হবে। এক বিঘা জমির ওপর আমাকে গবেষণা করে দিতে হবে। শুধুমাত্র ৪.৫ পিএইচ এর ভূমিকে চিহ্নিত করলে হবে। আশা করি, ভালো কিছু হবে।'
মন্ত্রী মাটির গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার পেছনে কীটনাশকের প্রভাবও উল্লেখ করে বলেন, 'এ দেশে পেস্টিসাইডের অবস্থা দেখুন। আমি মনে করি, এটি আরেকটা কঠিন সমস্যা, আবহাওয়া ধ্বংস হচ্ছে, ফসল ধ্বংস হচ্ছে, মাটি ধ্বংস হচ্ছে এবং মানুষের স্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পৃথিবীতে কি পেস্টিসাইড কেউ ব্যবহার করে না? করে। আমাদের গুণগত মান আরো শক্তি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আমি মনে করি।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন