প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটকবান্ধব রাখার লক্ষ্যে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে পরিবেশ অধিদপ্তর, পটুয়াখালীর উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অভিযানে অংশগ্রহণ করেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক), স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ধূমকেতু, উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন (উপরা), অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী এবং ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠনের শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক।
সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে পশ্চিম দিকে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। পরে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সচেতন করার পাশাপাশি সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখার বার্তা ছড়িয়ে দেন আয়োজক ও স্বেচ্ছাসেবকরা। এ সময় জিরো পয়েন্টে পরিচ্ছন্নতা-সচেতনতামূলক স্লোগানসংবলিত সাইনবোর্ড ও ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌরসভার প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক, টোয়াকের সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজ, উপরা’র আহ্বায়ক কেএম বাচ্চু, কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব নেছার উদ্দিন হাওলাদার এবং কুয়াকাটা ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শামিম রেজা।
কুয়াকাটা পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব নেছার উদ্দিন হাওলাদার মন্তব্য করেন, পরিচ্ছন্ন কুয়াকাটা গড়ে তুলতে তরুণ সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, "শুধু এক দিনের অভিযান নয়, নিয়মিত সৈকত পরিষ্কার রাখা এবং নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি। এ কাজে তারা সব সময় সহযোগিতা করতে চান।"
টোয়াকের সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজ বলেন, "কুয়াকাটার পর্যটনশিল্পের প্রধান আকর্ষণ সমুদ্রসৈকত। সৈকত অপরিচ্ছন্ন থাকলে পর্যটকদের কাছে নেতিবাচক বার্তা যায়। তাই পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে।" তিনি পর্যটকদেরও সচেতন করার আহ্বান জানান।
পৌরসভার প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক বলেন, "কুয়াকাটাকে পরিচ্ছন্ন ও পর্যটকবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পৌরসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে এ কাজে শুধু পৌরসভার উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, পর্যটক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো সম্মিলিতভাবে কাজ করলেই পরিচ্ছন্ন কুয়াকাটা গড়ে তোলা সম্ভব।"
পরিবেশ অধিদপ্তর, পটুয়াখালীর সহকারী পরিচালক লোভানা জামিল বলেন, "কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের সমুদ্রসৈকতে রূপান্তর করতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্ন সৈকত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।" তিনি জানান, সেই লক্ষ্যেই পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি জিরো পয়েন্টে সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড ও ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছে।
এমএইচ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন