প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির মেয়াদের নির্বাচনে ভোট দিতে এসে জনপ্রিয় চিত্রনায়ক রুবেল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) নিয়ে নিজের আক্ষেপের কথা উত্থাপন করেছেন। তিনি জানান, ২০২৬–২৮ মেয়াদে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের পর, আজকের এফডিসি সেই প্রাণচঞ্চল এফডিসি নয়, যার প্রতিটি কোণায় রয়েছে তাঁর অসংখ্য স্মৃতি।
শুক্রবার সকাল থেকে শিল্পী সমিতির নির্বাচন চলাকালীন এফডিসি উৎসবমুখর পরিবেশে ছিল। ভোট দিতে আসা শিল্পীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান প্রার্থী এবং তাঁদের সমর্থকরা। সেই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেন রুবেল।
ভোট সম্পন্ন করার পর, বর্তমান এফডিসির অবস্থান নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘এফডিসির প্রত্যেকটা কোণায় আমার স্মৃতি আছে। এখন যখন এখানে আসি তখন দেখি সবকিছু খাঁ খাঁ করছে। মাসের পর মাস এখন এফডিসির ফ্লোর ফাঁকা থাকে। কোনো শুটিং হয় না। এগুলো দেখলে অনেক খারাপ লাগে, কষ্ট লাগে। এই কষ্টের কারণে আমি এফডিসিতে আসি না।’
অতীতের ব্যস্ত সময়ের কথা স্মরণ করে রুবেল আরো বলেন, ‘আগে যখন আমি এফডিসিতে ঢুকতাম নব্বইয়ের দিকে, তখন সকাল সাতটা সাড়ে সাতটার পর থেকে এফডিসিতে পা ফেলা যেত না। আট-দশ পার্টির শুটিং চলত। আমাদের সময় ১২৫-১৩০টি ছবি হতো। অথচ এখন ১৫-২০টি ছবি হয়।’
এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে দুটি পূর্ণাঙ্গ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এক প্যানেলে সভাপতি পদে রয়েছেন মকবুল হোসেন আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে সভাপতি পদে লড়ছেন শিবা সানু, এবং সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জয় চৌধুরী।
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এবারের মোট ভোটার ৫৭৩ জন। তাঁদের ভোটেই আগামী দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন নেতৃত্ব।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন