প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ৭ নং গুয়ারেখা ইউনিয়নের ১৭টি পূজামণ্ডপে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক অনুদান প্রদান করেছেন ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ময়নুল হক রাসেল।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ৭৫ নং বাটনাতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পূজামণ্ডপগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের হাতে এ অনুদান তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপন এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেবতী রঞ্জন বড়ালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন গাববাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অপূর্ব মণ্ডল।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাটনাতলা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অরবিন্দু সিকদার, নেছারাবাদ উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক তাপস মণ্ডল, দেবীদাসকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উত্তম মিস্ত্রি, হোগলাবেতকা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মন্টু মিয়া এবং পাটিকেলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মনসুর। এ ছাড়া গুয়ারেখা ইউনিয়নের ১৭টি পূজামণ্ডপের কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসবই নয়, এটি সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহাবস্থানেরও প্রতীক। উৎসবকে আনন্দমুখর ও নির্বিঘ্ন করতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা জরুরি।
অনুষ্ঠানে ময়নুল হক রাসেল বলেন, “শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের উৎসব। গুয়ারেখা ইউনিয়নের প্রতিটি পূজামণ্ডপে যেন উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে প্রত্যাশা থেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১৭টি মন্দিরে আর্থিক অনুদান দিয়েছি। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার এই চেতনা ধারণ করে আমাদের সবাইকে মিলেমিশে বসবাস করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। পূজার সময় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত পূজামণ্ডপের প্রতিনিধিরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদ্যাপনে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন