প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মাদারীপুরের শিবচরে শাম্পা খাতুন (২৮) নামের এক নারীর ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় পুলিশ ফারুক মোল্লা নামে একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক এই হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, নিহত শাম্পার এক বছরের ছেলে আবিরকে আড়িয়াল খাঁ নদীতে ফেলে হত্যা করাও করেছেন তিনি। তবে শিশুটির মরদেহ এখনো উদ্ধার হয়নি।
গত বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে শিবচরের মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরের কান্দি এলাকায় একটি জঙ্গল থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সেই মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়। নিহত শাম্পা নাটোরের লালপুর উপজেলার আট্রিকা গ্রামের ছামরুল ইসলামের মেয়ে। প্রায় তিন বছর আগে মাদারীপুরের বড় মেহের এলাকার শাহাবুদ্দিন হাওলাদারের সাথে তার বিয়ে হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি মামলা সম্পর্কিত ঘটনায় শাম্পার স্বামী কারাগারে থাকাকালীন সময়ে মাদারীপুর আদালতে ফারুকের সাথে শাম্পার পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের সূত্র ধরে ফারুক শিবচরের বাখরেরকান্দি এলাকায় তার বাসায় নিয়ে এসে শাম্পাকে ধর্ষণ করে এবং পরে হত্যা করে পরিত্যক্ত স্থানে তার মরদেহ ফেলে দেয়। তিনি শিশু পুত্রকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে এবং এর মরদেহ আর্লিয়াল খাঁ নদে ফেলে দিয়েছে বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন ফারুক।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা ছামরুল ইসলাম ২০ আগস্ট শিবচর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ এবং র্যাব-৮ তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে রাজৈর থেকে ফারুককে আটক করে। গ্রেফতার হওয়া ফারুক মোল্লা শিবচর উপজেলা বাখরেরকান্দি এলাকার রতন মোল্লার ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, ফারুকের বাড়ি থেকে নিহতের স্বর্ণের নাক ফুল, রুপার চেইন, একজোড়া জুতা এবং পোড়ানো অবস্থায় ওড়না উদ্ধার করা হয়েছে। কয়েক মাস আগে তাকে শিবচর থেকে গাড়ি চুরির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
মাদারীপুরের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সালাহ উদ্দিন কাদের জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফারুক হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। শিশুটির মরদেহ উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হত্যার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন