প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়ে পড়েছেন।
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার ফলসী ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামে এই সংঘর্ষটি ঘটে।
আহতদের মধ্যে আছেন ছানোয়ার হোসেন ছনো (৫৫), মিজান আলী (৪৫), বিভান আলী (২২), ঝন্টু মিয়া (৪৫), মতিয়ার রহমান (৫০), আক্তার মোল্লা (৩২), রাশিদুল ইসলাম (৩৫), বরকত মোল্লা (৪০), ফেন্টু মিয়া (৫০), মশিয়ার রহমান (৪২), তোজিবার মোল্লা (৬৫), কবির মণ্ডল (৩০), রুবেল মণ্ডল (৩২), কাবিল (৪০), তোতা মিয়া (৩৪), নুর আলী (৫৪) এবং বাচ্চু মিয়া (৩২)। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। গুরুতর আহত পাঁচজনকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল এবং তিনজনকে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্বশত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের কারণে শনিবার সকালে বোয়ালিয়া গ্রামে ফলসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলুর রহমানের সমর্থকদের এবং সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি সমর্থক মশিয়ার রহমানের অনুসারীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে পড়ে।
সাবেক ইউপি সদস্য মশিয়ার রহমান অভিযোগ করেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানপক্ষের লোকজন তাদের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত সাতজন আহত হন বলে তার দাবি।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বজলুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি (তদন্ত) অসিত কুমার রায় জানিয়েছেন, ‘এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়েছেন বলে আমার কাছে তথ্য রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’
পুলিশ জানায়, অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন