প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রে এক ভয়াবহ দুর্যোগ ঘটেছে, যার ফলে ৬৭ হাজার মানুষ তাদের ঘর হারিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে একটি ভয়াবহ দাবানল সাড়ে ১০ হাজার একরের বেশি এলাকা পুড়িয়ে ফেলে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি দমকলকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এ দাবানলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮৫০টি স্থাপনাকে ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংসিত করেছে এবং এর ফলে প্রায় ৬৭ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এনবিসি নিউজের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪টি অঙ্গরাজ্য থেকে আসা ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি দমকলকর্মী আগুন নেভানোর কাজে অংশগ্রহণ করেছেন। গত শনিবার শুরু হওয়া এ দাবানলে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮৫০টি বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাপমাত্রা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে, দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রতিরোধব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করায় সোমবারের পর থেকে আগুন মাত্র ২ একর এলাকায় ছড়িয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধার তৎপরতার নেতৃত্ব দেয়া ক্যালিফোর্নিয়া ইন্টারএজেন্সি ইনসিডেন্ট ম্যানেজমেন্ট টিমের মুখপাত্র টম স্টোকসবেরি। তিনি জানান, প্রায় ৬৭ হাজার মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন এবং এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। স্টোকসবেরি আরও বলেন, সপ্তাহান্ত পর্যন্ত যদি আমাদের নিয়ন্ত্রণরেখা অটুট থাকে, তবে আগুন আর অতিরিক্ত ছড়িয়ে পড়বে না বলেই আমাদের আশা। তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগবে। এদিকে, বুধবার পর্যন্ত ওল্ড ট্রেইলস এবং অটাম লেন দাবানলের ১৩ শতাংশ করে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আর ফেয়ারভিউ দাবানলের ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তিনটি দাবানলে মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ৫৪৬ একর এলাকা পুড়ে গেছে। স্টোকসবেরি জানান, দমকলকর্মীরা এখন ‘সার্চ অ্যান্ড ডেস্ট্রয়’ অভিযানে নিয়োজিত আছেন। বিশেষায়িত ‘হটশট’ দল নতুন করে আগুন জ্বলে ওঠা স্থানগুলো শনাক্ত করে তা নিভিয়ে ফেলছে। তারা প্রতিদিন ১৬ ঘণ্টা কাজ করছেন এবং মাত্র ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা ঘুমানোর সুযোগ পাচ্ছেন। ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মাইকেল কেলি বলেন, ৮০০টির বেশি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এটি সম্ভবত অঙ্গরাজ্যের ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী দাবানলগুলোর একটি। ২০২৩ সালে স্পোকেনের কাছাকাছি গ্রে ও ওরেগন রোড দাবানলে ৩৫০টি স্থাপনা ধ্বংস হয়েছিল। বর্তমান দাবানল সেই ক্ষয়ক্ষতিকেও ছাড়িয়ে গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন