প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্টিভ স্মিথের ক্যারিয়ারে কনকাশনে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বহুবার ঘটেছে। চলমান সিরিজের প্রথম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাথায় বল লাগার কারণে তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন, এমনটি জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার এই অভিজ্ঞ ব্যাটার।
গত সপ্তাহে ডারবানের কিংসমিডে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার আনরিখ নরকিয়ার একটি বাউন্সার স্মিথের হেলমেটে আঘাত করে। এই ঘটনার পর তাকে কনকাশন প্রটোকলের আওতায় পরীক্ষা করা হয়।
রোববার সেন্ট জর্জস পার্কে দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর আগে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে স্মিথ বলেন, “সত্যি বলতে, আঘাতের পর আমি কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলাম। এটি বেশ জোরালো আঘাত ছিল। সেদিনের বাকি সময়টায় আমি খুব একটা স্বস্তিতে ছিলাম না। আমার মনে হয়, অতীতে যেমন অনুভূতি হয়েছিল, আবার তেমন কিছু হবে কি না, সেই চিন্তা থেকেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কী অবস্থা হয়, সেটাই ভাবছিলাম।”
তিনি আরও যোগ করেন, “সৌভাগ্যবশত পরদিন আমি ভালোভাবেই ঘুম থেকে উঠি। সব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হই এবং খুব দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠি।”
৩৭ বছর বয়সী স্মিথকে মাঠেই ফিজিও ও দলের চিকিৎসক পরীক্ষা করেন। নিয়ম অনুযায়ী তার হেলমেটও পরিবর্তন করা হয়। আঘাত পেলেও তিনি ইনিংস চালিয়ে যান এবং ২৭ রান করেন, যা অস্ট্রেলিয়াকে বড় লিড গড়তে সহায়তা করে।
কনকাশন প্রটোকল পাস
তবে দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হওয়ার সময় সোমবার স্মিথ মাঠে নামেননি। তখন তাকে কনকাশন প্রটোকলের আওতায় আরও পরীক্ষা করা হয়, যেখানে তিনি সফলভাবে উত্তীর্ণ হন।
পরদিন মঙ্গলবার সিরিজের শেষ দিনের খেলা শুরুর সময় তিনি আবার মাঠে ফেরেন এবং অস্ট্রেলিয়াকে ২১৪ রানের জয় এনে দিতে ভূমিকা রাখেন। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
টেস্ট ক্রিকেটে ১১ হাজার রানের মাইলফলক থেকে মাত্র ২৮ রান দূরে থাকা স্মিথ কনকাশন সাবস্টিটিউট নিয়ম চালুর পর টেস্ট ক্রিকেটে বদলি হওয়া প্রথম খেলোয়াড় ছিলেন। ২০১৯ সালের অ্যাশেজ সিরিজে লর্ডসে জোফরা আর্চারের একটি বাউন্সার তার মাথার পেছনে আঘাত করেছিল।
এ ছাড়া ২০২০ সালে ইংল্যান্ড সফরে অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে সিরিজ চলাকালেও অনুশীলনে মাথায় আঘাত পেয়ে কনকাশনে ভুগেছিলেন তিনি। একই বছরের শেষদিকে ভারতের বিপক্ষে সিডনির ওয়ানডের সকালে ঘুম থেকে উঠে মাথা ঘোরা ও অসুস্থতাও অনুভব করেন।
এরপর ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কা সফর, ভারতে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ বিশ্বকাপ এবং গত ডিসেম্বরে অ্যাডিলেড টেস্টের আগেও স্মিথ ভারসাম্য ও স্থানিক অবস্থান নিয়ন্ত্রণকারী অন্তঃকর্ণের সংবেদনশীল ব্যবস্থার (ভেস্টিবুলার সিস্টেম) সমস্যায় আক্রান্ত হন। অ্যাডিলেডে তৃতীয় টেস্ট শুরুর মাত্র ২০ মিনিট আগে তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন