প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধি পেলে দুর্নীতির সুযোগ কমে যাবে।
তিনি মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অর্থনীতিকে আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করার জন্য ডিজিটালাইজেশন এবং ক্যাশলেস লেনদেনের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ডিজিটালাইজেশনের গুরুত্ব অনেক বেশি। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারেও ডিজিটাল অর্থনীতির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। নগদ লেনদেন কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো গেলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্নীতির সুযোগ কমবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলা কিউআরকে কার্যকর ও গতিশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আন্তঃসংযোগ বা ইন্টারঅপারেবিলিটি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মধ্যে আন্তঃসংযোগ না থাকলে বাংলা কিউআরের পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার সম্ভব হবে না।
অর্থমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে প্রতিটি লেনদেনের একটি তথ্যভিত্তিক রেকর্ড তৈরি হবে। এর ফলে কর আদায় এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ট্র্যাক করা সহজ হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন খাতের তথ্য সংগ্রহ করে নীতিনির্ধারণেও তা কাজে লাগানো যাবে।
তিনি বলেন, ডিজিটাল সেবা বিস্তৃত হলে মানুষকে বারবার শারীরিকভাবে বিভিন্ন দপ্তরে যেতে হবে না। বাসায় বসেই অনেক ধরনের সরকারি ও আর্থিক সেবা পাওয়া সম্ভব হবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে যত বেশি সম্ভব ফিজিক্যাল কন্টাক্টের বাইরে নিয়ে আসতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, অটোমেশন বৃদ্ধি পেলে ব্যবসা পরিচালনার খরচ বা কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমবে। বন্দর থেকে বিমানবন্দর—অর্থনীতির প্রতিটি পর্যায়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও অটোমেশন নিয়ে আসতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের ব্যবসা ও সেবাকে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, ক্যাশলেস অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা হলে লেনদেনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং কর আদায়ের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে অটোমেশন ও ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে ব্যবসার খরচ কমিয়ে অর্থনীতিকে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করা যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন