প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাকিস্তানের জাতীয় দলের সর্বশেষ ইংল্যান্ড সফরের পর দলের তারকা ক্রিকেটাররা ভীষণ চাপের মধ্যে রয়েছেন। মোহাম্মদ রিজওয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইমস ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) ডেকেছে।
৩০ আগস্ট লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচ শেষ হওয়ার পর রাত ১টার দিকে পিসিবির অ্যান্টি করাপশন কর্মকর্তা কর্নেল আখতার রিজওয়ানকে হোটেল থেকে নিচে ডেকে পাঠান। তাকে নিজের মোবাইল ফোন নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়।
হোটেলের নিচে রিজওয়ানের সঙ্গে পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির একজন কর্মকর্তার সাক্ষাৎ ঘটে। এরপর বাজি ও অনলাইন জুয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হন তিনি। এক পর্যায়ে তার মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়।
রিজওয়ান অভিযোগ করেছেন যে, ফোনটি নেওয়ার আগে তাকে কোনো লিখিত নোটিশ, অভিযোগ, কিংবা জব্দের অনুমতিপত্র দেখানো হয়নি। আদালতে করা আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন যে, তাকে জানানো হয়েছিল ফোনটি পরীক্ষা করে তিন ঘণ্টার মধ্যে ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও ফোনটি ফেরত পাননি। বর্তমানে ফোনটি তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে রয়েছে এবং ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে।
রিজওয়ান আরও জানিয়েছেন যে, তাকে কী অপরাধের সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, কোন ঘটনার তদন্ত চলছে কিংবা কোন আইনি ক্ষমতাবলে তার ফোন নেওয়া হয়েছে, এসব বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। তদন্তের অংশ হিসেবে তার ব্যাংক একাউন্ট ও আর্থিক বিষয়েও তথ্য চাওয়া হয়েছে।
আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেওয়া মানে তার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হওয়া নয়। পিসিবির সাবেক আইনপ্রধান তাফাজ্জুল রিজভিও বলেছেন, বর্তমানে রিজওয়ানের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের প্রমাণ বা স্বীকারোক্তি নেই; নোটিশের উদ্দেশ্য তথ্য সংগ্রহ করা। তবে পিসিবি অভ্যন্তরীণ তদন্তের বিষয়ে নীরবতা বজায় রেখেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন