প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভিটেমাটি রয়েছে, তবে মাথার ওপর আশ্রয় নেই। লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সারপুকুরে ধ্বংসস্তূপের একটি নীরব সাক্ষী যেন দাঁড়িয়ে আছে।
গত ৮ জুন, একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৪ বছরের মাদ্রাসা ছাত্র লাদেন ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারান। এই হত্যাকাণ্ডের পর উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত জুয়েল মিয়ার বাড়িতে ভাঙচুর শুরু করে।
কিন্তু তাণ্ডব সেখানেই শেষ হয়নি; সেই রাতেই পাশের ৬টি নিরপরাধ প্রতিবেশী পরিবারেও হামলা চালানো হয়, যেখানে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট ঘটে। জীবন বাঁচানোর তাগিদে সেদিন নিরীহ মানুষগুলো ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পর, নিজ ভিটায় ফিরে আসলেও থাকার মতো কিছুই অবশিষ্ট নেই। এক রাতের মধ্যে হারানো সবকিছু এখন এই ৬টি পরিবারকে নিঃস্ব করে ফেলেছে। একজনের অপরাধের জন্য, পাড়ার নিরপরাধ ৬টি পরিবারকে সবকিছু হারাতে হয়েছে।
এদিকে, সেদিনের অন্যায্য হামলায় সর্বস্ব হারানো পরিবারগুলো গত ১৩ আগস্ট লালমনিরহাট আদালতে বিচার চেয়ে পৃথক ৬টি মামলা দায়েরের আবেদন করেছেন।
লাদেন হত্যার প্রধান অভিযুক্ত জুয়েল মিয়া ও তার ছেলে রকি, আদালতে আত্মসমর্পণ করে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
কিশোর লাদেন হত্যার সুষ্ঠু বিচারের পাশাপাশি নিজেদের নিরাপত্তা এবং তাণ্ডবে হারানো সম্পদের বিচার দাবি করছেন নিঃস্ব হয়ে পড়া এই পরিবারগুলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন