প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, এই ব্যক্তি, চেয়ার ছেড়ে দিতে বললেন দেশটির তরুণদের নতুন প্লাটফর্ম তেলাপোকা বা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে। টানা ৩৭ দিনের তীব্র আন্দোলনের পর তিনি এ আহ্বান জানান। অভিজিৎ মোদিকে পরামর্শ দেন দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে দেওয়ার জন্য এবং 'ইনফ্লুয়েন্সার' হয়ে যাওয়ার জন্য।
আবহাওয়া, দেশের দায়িত্ব অন্য কাউকে দিয়ে মোদিকে ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়ার বিষয়ে অভিজিৎ দিপকে বলেন। তিনি একইসঙ্গে প্রশ্নফাঁস রোধে লোকসভায় পাস হওয়া নতুন আইন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ‘তেলাপোকা পার্টির’ প্রতিষ্ঠাতা মন্তব্য করেন, আইন করলেই হবে না, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে কোনও পরিবর্তন আসবে না।
বুধবার (২৯ জুলাই) মহারাষ্ট্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় অভিজিৎ দিপকে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খোঁচা দিয়ে এই মন্তব্য করেন। খবর প্রকাশ করেছে হিন্দ্যস্তান টাইমস।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তরুণদের উদ্দেশে মোদির প্রকাশিত ভিডিওগুলোর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন। অভিজিৎ বলেন, মোদির ইনফ্লুয়েন্সার হয়ে যাওয়া উচিত। যদি তিনি এত ভালো ইনফ্লুয়েন্সার হন, তাহলে মোদির প্রধানমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দেওয়া উচিত এবং অন্য কাউকে দেশের দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া উচিত।
এছাড়া, গত মঙ্গলবার কংগ্রেসের সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও মোদির ইনস্টাগ্রাম ভিডিও নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি সংসদে বলেন, নতুন নতুন অ্যাঙ্গেলে ভিডিও বানিয়ে জেন জির সমর্থন পাওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল নয়, বদলাতে হবে তার মনের অ্যাঙ্গেল।
প্রশ্নফাঁসবিরোধী বিল নিয়ে প্রশ্ন তুলতে গিয়ে অভিজিৎ বলেন, শুধু আইন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। যারা আইন বাস্তবায়ন করবেন, তাদের সদিচ্ছা না থাকলে কোনও লাভ নেই। এই দেশে একের পর এক ভালো আইন হয়েছে, কিন্তু শুধু আইন পাস করলেই সবকিছু বদলে যায় না।
প্রশ্নফাঁসের মামলার জন্য মোদির ঘোষিত ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তিন দিন আগে নরেন্দ্র মোদি ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এতে মানুষ ভেবেছিল প্রশ্নফাঁসের মামলাগুলোর দ্রুত বিচার হবে। কিন্তু কী হয়েছে? অভিজিৎ দিপকে বলেন, প্রথম শুনানিতেই সিবিআইয়ের আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় শুনানি পিছিয়ে গেছে। তাই যত আইনই করা হোক, আইন বাস্তবায়নকারীরা দায়িত্বশীল না হলে, সেই আইনের কোনও অর্থ নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন