প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার
দেওয়া ভাষণে এই বক্তব্য রাখেন।
মোদি উল্লেখ করেন, সন্ত্রাসবাদ বর্তমানে মানবতার জন্য একটি গুরুতর হুমকি। এটি কোনো দেশের জন্য ‘কৌশলগত সম্পদ’ হতে পারে না।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংসহ জোটভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে মোদি বলেন, সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন, নিয়োগ, উগ্রপন্থা ও নিরাপদ আশ্রয়স্থলের নেটওয়ার্ককে একত্রে ভেঙে ফেলতে হবে। সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে চলমান উত্তেজনার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যেকোনো সংঘাত বা সংকটের সমাধান যুদ্ধক্ষেত্রে সম্ভব নয়; বরং শান্তি প্রতিষ্ঠা শুধুমাত্র সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে অর্জন করা সম্ভব।
মোদি সংঘাতের কারণে জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে উন্নয়নশীল বা ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর দেশগুলোর ওপর। চীনের বিতর্কিত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই) প্রকল্পের পরোক্ষ সমালোচনা করে মোদি স্পষ্টভাবে জানান, আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অবশ্যই প্রশংসনীয়, তবে কোনো প্রকল্পের নামে অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ন করা উচিত নয়।
শীর্ষ সম্মেলনের শেষে গৃহীত যৌথ ‘বিশকেক ঘোষণাপত্রে’ সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর সামরিক হামলার নিন্দা জানানো হয় এবং সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়।
সদস্য রাষ্ট্রগুলো একমত পোষণ করে যে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় ফিলিস্তিন সমস্যার ন্যায়সংগত সমাধান এবং সংলাপের মাধ্যমে সংকট নিরসন করা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন