প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, সরকার দেশের অর্থনীতিকে সাজাতে চায়, যার জন্য তিনটি ধাপ হলো পুনরুদ্ধার, উত্তরণ এবং পুনর্গঠন।
তিনি সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ বিষয়টি তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সংসদে সরকার এবং বিরোধী দলের মধ্যে কিছু বিষয়ে ঐকমত্য ও কিছু বিষয়ে দ্বিমত থাকলেও আমরা জনগণের মধ্যে আশার সঞ্চার করতে পেরেছি৷ যদিও সংসদে আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে যতটা কথা বলেছি, এর চেয়ে বেশি অতীত নিয়ে আলোচনা করেছি। তবে জনগণ চায় ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা কথা বলি।’
এবারের বাজেটকে জীবনবান্ধব বাজেট উল্লেখ করে সরকারপ্রধান আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি এ বাজেটের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬১টি পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে অন্যান্য বছরগুলোর তুলনায় এ বছর বাজেটের পূর্বে এবং পরে নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি। আমরা কিছুটা হলেও জনগণকে স্বস্তি দিতে পেরেছি।
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের জনগণের কারণেই আমরা সংসদে এসে দেশকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রাখতে পারছি৷ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে বিপুল বিদেশি ঋণের বোঝা চাপিয়েছে বিগত সরকার। এ বোঝা জনগণকে অনেক বছর টানতে হবে।’
সরকারপ্রধান বলেন, ‘এবারের বাজেট হল বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং এটি অর্থনীতির একটি ভিত গড়ে তোলার জন্য গৃহীত নিরাপত্তা। বাজেটের লক্ষ্য হল ন্যায়ভিত্তিক মানবিক অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা। এটি নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার বোঝা লাঘব করবে। অর্থনীতিকে ধীরে ধীরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য এই বাজেটের মূল লক্ষ্য।’
তিনি বলেন, বাজেটের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে অর্থনীতির চাকা গতিশীল করা। আমাদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেজন্য দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পরিকল্পনা করা হয়েছে। উন্নয়ন বাজেট ৫০ হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। সরকার জনগণের টাকা জনগণের কল্যাণে ব্যয় করতে চায়। পুনরুদ্ধার, উত্তরণ এবং পুনর্গঠন এই তিন ধাপে অর্থনীতিকে সাজাতে চায় সরকার।
‘ঋণ নয়, উৎপাদন হবে বিনিয়োগ নির্ভর। এমন একটি দেশ গড়তে চাই, যেখানে তরুণরা যেনো নিজের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে’, যোগ করেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন