বৃহস্পতিবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৮:২৭ এম
প্রতিদিন ঢাকা শহরে বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, রাজনৈতিক দল এবং সংগঠনের কর্মসূচি হয়ে থাকে। কোথায় কোন কার্যক্রম চলছে, তা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দিনের শুরুতেই এখানে কিছু উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির একটি তালিকা দেওয়া হলো।
উপদেষ্টা শারমীন
সকাল সাড়ে ৮টা থেকে হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের ‘সিলভার জুবলি’ অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখবেন সমাজ কল্যাণ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে সম্মানিত ডা. হালিদা হানুম আখতার, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, এবং ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. হারুন-আল-রশিদ যোগ দেবেন। সভাপতিত্ব করবেন হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. কে এম মজিবুল হক।
নির্বাচনী প্রচারণা
সকাল সাড়ে ৯টায় সেকশন ১০ এর সাদা পানির ট্যাংকি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন ঢাকা-১৬ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমিনুল হক।
সকাল ১০টায় ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ করবেন ঢাকা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিন। বাদ আসর খিলগাঁওয়ের স্টাফ কোয়ার্টার জামে মসজিদ এলাকা থেকে গণসংযোগ করবেন ঢাকা-৯ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
দুপুর ২টায় কারওয়ান বাজার প্রগতি টাওয়ারের সামনে গণসংযোগ শুরু করবেন ঢাকা-১২ আসনের বিএনপি সমর্থিত বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক (কোদাল প্রতীক)। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তরের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দ।
দুপুর আড়াইটায় মোহাম্মদপুর টাউনহল মাঠ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন ঢাকা-১৩ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
ছাত্র অধিকার পরিষদ
গণভোটে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফ্যাসিবাদের দোসর জাতীয় পার্টিকে সুযোগ দেওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করবেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ। এই সংবাদ সম্মেলন দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে অনুষ্ঠিত হবে।
জামায়াত আমির
নির্বাচনী ক্যাম্পেইন শুরুর উপলক্ষে দুপুর ২টায় মিরপুর-১০ গোলচত্বরে আদর্শ স্কুল মাঠে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জমি নিয়ে বিরোধের ফলস্বরূপ আব্দুল্লাহ নামের তিন বছর বয়সী এক শিশুকে আছাড় দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ ওঠেছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১১টা নাগাদ উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাপাহাড় মস্তাননগর এলাকায় মোস্তফা ভূঁইয়া বাড়িতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আব্দুল্লাহ হলেন এই বাড়ির নুরুল আলম রাসেলের একমাত্র পুত্র।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জমির বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষের লোকজন শিশুটিকে আছাড় মেরে হত্যা করেছে।
অন্যদিকে, স্থানীয়দের মতে, মানসিক অসুস্থ দাদা ঝগড়ার সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে নিজের নাতিকে আছাড় দেন। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ।
শিশুর দাদি জোৎসা আরা বেগম বলেন, ‘আমাদের জায়গায় অন্যরা ঘর তুলছে, আমি দেখতে গেলে দ্বীন ইসলাম এবং তার পরিবারের সদস্যরা মারে। তারপর আমি বলি, আমি তোদের বিরুদ্ধে মামলা করবো, তখন তারা আমার স্বামীকে মারতে আসে, কিন্তু তাকে না পেয়ে আমার নাতিকে মেরে চলে যায়।’
তিনি আরও জানান, ‘দ্বীন ইসলাম আমার স্বামীকে মারতে এসে তাকে খুঁজে না পেয়ে আমার নাতিকে আছাড় মেরেছে।’
মোদ্রিদার দাদা মোস্তফা বলেন, ‘আমি কেন মারবো, তারা আগে আমার স্ত্রীকে মারছে, তারপর আমার নাতি দাদির কাছে আসছিল, এসময় দ্বীন ইসলাম তাকে আছাড় দিয়ে মারে।’
অভিযুক্ত দ্বীন ইসলামের স্ত্রী বলেন, ‘দুই পরিবারের মধ্যে ঝগড়া হচ্ছিল, এরপর দাদি চিৎকার করে বলেন, তার নাতিকে মারছে, আমরা কিছুই জানি না। পুলিশ এসে আমাদের নিয়ে গেছে। আমরা যখন ঘটনার সময় সেখানে ছিলাম না।’
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী নাজমুল হক জানান, ‘পারিবারিক কলহের কারণে একজন শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ পেলেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের নির্বাচনী থিম সঙ্গীত প্রকাশ করেছে। বুধবার রাত ১২ টায়, রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
থিম সঙ্গীতটিতে, 'ভোট দিবেন কিসে ধানের শীষে' সহ বিএনপির একাধিক নির্বাচনী স্লোগানকে সঙ্গীত আকারে উপস্থাপন করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রিজভী উল্লেখ করেন, "পরমাণুর কেন্দ্রে যেমন প্রোটন, ইলেকট্রন, নিউট্রন থাকে এবং তাদের বন্ধন অনেক দৃঢ়, আমরা সেই বন্ধনেরই ভিত্তিতে একটি রাষ্ট্রীয় দর্শনে বিশ্বাস করি—‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। এর প্রতীক হচ্ছে ধানের শীষ।"
তিনি আরও বলেন, "এই প্রতীক শেখ হাসিনা যেমন মুছে দিতে পারেনি, অন্য কেউ তা পারবে না। মানুষের হৃদয়ে হৃদয়ে এই প্রতীক মিশে গেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি আগ্রাসনের চেষ্টা হলে সে হাত কেটে ফেলার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছেন দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র। পাশাপাশি, খামেনির ওপর হামলা বৈশ্বিক ইসলামি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মধ্যে পড়ে এবং এটি জিহাদের ফতোয়ার সুযোগ তৈরি করবে বলেও উল্লেখ করেছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের সদস্যরা।
অন্যদিকে, চলমান অস্থিতিশীলতার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে দায়ী করেছেন খামেনি। ট্রাম্প বলেছেন যে, এখন ইরানের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তিত হওয়ার সময় এসেছে। এর জবাবে তেহরান শক্তিশালী প্রতিবাদ জানান।
হামলার বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, খামেনির উপর আক্রমণ মূলত ইসলামী বিশ্বে একটি যুদ্ধ শুরুর সমতুল্য। তাদের মন্তব্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি ইসলামী আলেমদের জিহাদ ঘোষণার জন্য একটি সুযোগ প্রদান করবে এবং ইসলামের সৈন্যরা সারাবিশ্বে প্রতিক্রিয়া জানাবে।
এছাড়া, ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ নেতার প্রতি যেকোনো আক্রমণ মানে হচ্ছে ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ যুদ্ধ।
মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ জরুরি অধিবেশন ডেকেছে। ব্রিটেন, জার্মানি, আইসল্যান্ড, মলদোভা ও নর্থ মেসিডোনিয়া এর আহ্বান জানিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন যে দেশে সহিংসতা, প্রতিবাদকারীদের ওপর দমন-পীড়ন এবং মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন হচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির পরও ইরানকে বাণিজ্য অব্যাহত রাখতে রাশিয়া ঘোষণা দিয়েছে। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধ করার কোনো কারণ তারা দেখছেন না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার হরিণঘাটা–লালদিয়া চর ধীরে ধীরে পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শান্ত পরিবেশ এবং সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের কারণে এলাকা ইতিমধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবকাঠামো এবং নিরাপত্তার অভাব এখনো একটি বড় সমস্যা হয়ে রয়েছে।
বঙ্গোপসাগর, বিষখালী ও বলেশ্বর নদের মোহনায় অবস্থিত এই চর এলাকায় প্রাচীন বন, বাঁাকা খাল এবং বিস্তৃত বালুকাবেলা পাশাপাশি অবস্থিত। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময়ে এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য আরও মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে। পর্যটকদের মতে, এখানে কম জনসমাগম থাকার ফলে প্রকৃতিকে শান্তির সঙ্গে উপভোগ করার সুযোগ পাওয়া যায়।
বরগুনা শহর থেকে পরিবার নিয়ে আসা পর্যটক আরিফ হোসেন মোল্লা বলেন, "হরিণঘাটা–লালদিয়া চরের মতো শান্ত আবহে খুব কম জায়গায় আমি গিয়েছি। মনে হয় প্রকৃতি এখনো অনেকটাই অক্ষত। তবে এখানে আসতে পথে বেশ কিছু ভোগান্তি হয়েছে।"
ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে আসা পর্যটক নাসরিন আক্তার মৌসুমী বলেন, "বন, নদী আর সমুদ্র সব এক জায়গায় পাওয়া যায়। শিশুদের জন্য প্রকৃতির শিক্ষা খুবই ভালো সুযোগ, কিন্তু রাস্তার অবস্থা ভালো না হওয়ায় যাত্রাটা বেশ কষ্টকর হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে হবে।"
এলাকায় নানা প্রজাতির গাছ যেমন কেওড়া, গরাণ, গেওয়া, সুন্দরী ও ঝাউ রয়েছে। বনের মধ্যে চিত্রল হরিণ, বানর, বনবিড়াল এবং গুইসাপের বিচরণ দেখা যায়। পাখির গান এবং সৈকতের লাল কাঁকড়ার উপস্থিতি পর্যটকদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ সৃষ্টি করে।
২০১৫ সালে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জলবায়ু ট্রাস্টের অর্থায়নে এখানে ইকো-ট্যুরিজম প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এ সময় ফুট ট্রেইল, ওয়াচ টাওয়ার এবং বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হয়। জোয়ারের সময় খালে নৌভ্রমণও চালু হয়েছিল, কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পের সম্প্রসারণ কার্যক্রম কার্যত বন্ধ রয়েছে।
সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। হরিণঘাটা থেকে লালদিয়া পর্যন্ত পায়ে হাঁটার সেতু এখনও পুরোপুরি নির্মিত হয়নি, ফলে পর্যটকদের ছোট ছোট নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা না থাকা কারণে রাতযাপনের সুযোগও সীমিত। প্রতি বছরের মতো প্রশাসনিক নজরদারি না থাকার কারণে কোথাও কোথাও অবৈধভাবে গাছ কাটার অভিযোগও রয়েছে।
বরগুনা জেলা পর্যটন শিল্প উদ্যোক্তা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সোহেল হাফিজ বলেন, "হরিণঘাটা–লালদিয়া চর একটি বিশাল সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র। পরিকল্পিত উন্নয়ন হলে এটি দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম ইকো-ট্যুরিজম গন্তব্যের রূপ নিতে পারে। তবে যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও নিরাপত্তার ঘাটতির কারণে উদ্যোক্তারা তা করতে পারছেন না।"
তিনি আরও বলেন, "লালদিয়া সেতু দ্রুত নির্মাণ করতে হবে, পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। স্থানীয় লোকজনকে সম্পৃক্ত করতে পারলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বন সংরক্ষণও সম্ভব হবে।"
স্থানীয় কিছু বাসিন্দা যেমন মিজানুর রহমান, বেলাল হোসেন, জাকিয়া সুলতানা, শিরীন আক্তার, ও মোতালেব হোসেন পর্যটন উন্ননের পক্ষে মত প্রকাশ করেন। তাঁদের বক্তব্য, পর্যটন বাড়ালে উপকূলের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে, তবে বন ও পরিবেশ রক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, যদি সঠিক পরিকল্পনা এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়, তবে হরিণঘাটা–লালদিয়া চর শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্থান হবে না, বরং টেকসই উন্নয়নের সফল উদাহরণও হয়ে উঠবে। পর্যটন শিল্পের মাধ্যমে উপকূলের মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ