প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশে অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপিয়ে দিচ্ছেন, এমন অভিযোগ করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে।
নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অননুমোদিতভাবে প্রবেশের অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টির নেতা সৌরভ ও আশুতোষকে কারাগারে পাঠানোর পর বুধবার দীপকে এই অভিযোগ তোলেন।
নাগপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দীপকে প্রশ্ন করা হয়, যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর মাধ্যমে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ঠিক কী অপরাধ করেছেন?
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শান্তিরক্ষার মুচলেকা লঙ্ঘন এবং যন্তর মন্তরে (যে স্থানটিকে এখন আর বিক্ষোভ প্রদর্শনের এলাকা হিসেবে গণ্য করা হয় না) অননুমোদিতভাবে প্রবেশের অভিযোগে বুধবার সৌরভ ও আশুতোষকে পাঁচ দিনের জন্য দিল্লির তিহার কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে মঙ্গলবার ভোরে তাদের আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ব্যারিকেড ভেঙে অনুমতি ছাড়াই যন্তর মন্তর এলাকায় প্রবেশ করেছিলেন এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিয়েছিলেন।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দীপকে বলেন, ‘আমি নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই, আপনি যদি দেশে জরুরি অবস্থা জারি করতে চান, তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবেই করুন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ কেমন কাপুরুষোচিত আচরণ—অঘোষিত জরুরি অবস্থা চাপিয়ে যন্তর মন্তরে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর অপরাধে মানুষকে পাঁচ দিন ধরে হেফাজতে আটকে রাখা হচ্ছে? এমনকি (১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীর আমলে জারি করা) জরুরি অবস্থার সময়ও এমনটা ঘটেনি।’
তিনি যোগ করেন, ‘এই দেশে জাতীয় পতাকা ওড়ানো এখন সবচেয়ে বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার জন্য মানুষকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হচ্ছে। তাই আমি নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই, এত বড় কাপুরুষ হবেন না; কিছুটা সাহস দেখান। যদি জরুরি অবস্থা জারি করতেই হয়, তবে সাহস থাকলে তা আনুষ্ঠানিকভাবেই করুন।’
সিজেপির এই নেতা জোর দিয়ে বলেন, নরেন্দ্র মোদি বা অন্য যে কেউই এই দেশে আরএসএসের মতাদর্শ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন না কেন, তা কখনোই সফল হবে না।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার বিক্ষোভ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে দীপকে বলেন, সিজেপি একটি স্বাধীন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী এবং ভবিষ্যতেও তা-ই থাকবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে সিজেপি ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী। ইন্ডিয়া জোটের আন্দোলন এবং সিজেপির আন্দোলন—উভয়ই একই লক্ষ্যের জন্য পরিচালিত হচ্ছে। সূত্র: পিটিআই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন