প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মরক্কো থেকে সম্প্রতি অনেক অভিবাসী এসে জড়ো হওয়া স্প্যানিশ ছিটমহল সেউতারের একটি ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের শীর্ষ দুই কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার পুনরায় তাদের অভিবাসনবিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কথা উল্লেখ করেছেন।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
এএফপির সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, তারা সেউতায় দেখেছেন মরক্কোর উত্তর উপকূল থেকে সাঁতরে বহু নারী, পুরুষ ও শিশু শহরটিতে প্রবেশ করেতে। সেউতার প্রেসিডেন্ট হুয়ান ভিভাস বুধবার জানিয়েছেন, গত কিছু দিনের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৫০০ অভিবাসী সেখানে প্রবেশ করেছেন। ২০২১ সালের পর এটিই সবচেয়ে বড় অভিবাসী প্রবেশের ঘটনা।
হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ স্টিফেন মিলার এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতির অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী অভিবাসন-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। ভিডিওটি শেয়ার করে স্টিফেন মিলার ডেমোক্র্যাটিক পার্টির অভিবাসন নীতির সঙ্গে এর তুলনা করেছেন এবং সমালোচনা করেছেন।
ভিডিওটির সঙ্গে এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে স্টিফেন মিলার লিখেছেন, ‘অনুপ্রবেশকারীরা আপনার বাড়ি দখল করে নিলেও এবং তা তছনছ করলেও ডেমোক্র্যাটরা সেটি দেখে আনন্দিত হবে।’
হোয়াইট হাউসের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক স্টিভেন চিয়াংও ফক্স নিউজ-এর একটি প্রতিবেদন এক্স ম্যাসেজিং প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘জো বাইডেনের শাসনামলে এমন পরিস্থিতিই দেখা গিয়েছিল। সৌভাগ্য যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্বাচিত হয়েছেন। তার নেতৃত্বে এমন ঘটনা আর ঘটবে না।’
অভিবাসনবিরোধী অবস্থানকে নির্বাচনী প্রচারের অন্যতম প্রধান ইস্যু হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের মতো হোয়াইট হাউসে আসেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বৈধ কাগজপত্রবিহীন লাখ লাখ অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত করার কার্যক্রম জোরদার করেছেন।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই কঠোর অভিযান রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর প্রভাব আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী (মিডটার্ম) নির্বাচনে পড়তে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন