প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নতুন অর্থবছরের শুরুতেই অস্ট্রেলিয়া ভিসা আবেদনকারীদের জন্য বড় ধরনের ফি বৃদ্ধি কার্যকর করেছে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে দেশের প্রায় সমস্ত প্রধান অস্থায়ী ও স্থায়ী ভিসা শ্রেণির আবেদন ফি বেড়েছে।
কিছু ভিসার ক্ষেত্রে ফি প্রায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও, কয়েকটি শ্রেণিতে তা ২০০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রকাশিত নতুন ফি তালিকা অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন ফি ২ হাজার ডলার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৫০০ ডলার হয়েছে। ইংরেজি ভাষা শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত পৃথক আবেদন ফি ২ হাজার ৫০ ডলার। অস্থায়ী গ্র্যাজুয়েট ভিসার আবেদন ফি ৪ হাজার ৬০০ ডলার থেকে বেড়ে ৫ হাজার ৭৫০ ডলার হয়েছে।
এর আগে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে একই ভিসার ফি ২ হাজার ৩০০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৪ হাজার ৬০০ ডলার করা হয়েছিল। ফলে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে এই ভিসার আবেদন ফি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
পরিবারভিত্তিক অভিবাসনের ক্ষেত্রে পার্টনার ভিসার আবেদন ফি ৯ হাজার ৩৬৫ ডলার থেকে বেড়ে ১১ হাজার ৭১০ ডলার হয়েছে। দক্ষ কর্মীদের জন্য স্কিলস ইন ডিমান্ড ভিসার আবেদন ফি ৩ হাজার ২১০ ডলার থেকে ৪ হাজার ১৫ ডলারে উন্নীত হয়েছে।
ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার আবেদন ফি ৬৭০ ডলার থেকে বেড়ে ৮৪০ ডলার হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি হয়েছে কয়েকটি প্রশাসনিক ও পুনরাগমনসংক্রান্ত ভিসার ফিতে। ব্রিজিং ভিসা বি-এর আবেদন ফি ১৯০ ডলার থেকে বেড়ে ৫৭৫ ডলার হয়েছে, যা প্রায় ২০৩ শতাংশ বৃদ্ধি। রেসিডেন্ট রিটার্ন ভিসার আবেদন ফি ৪৯০ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৪৭৫ ডলার হয়েছে, যা প্রায় ২০১ শতাংশ বৃদ্ধি। নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের পরিবারের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত বিশেষ ভিসার আবেদন ফি ৪৪৫ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৩৩০ ডলার হয়েছে।
একই সঙ্গে দক্ষ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ন্যূনতম আয়ের সীমাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। অস্থায়ী দক্ষ অভিবাসন আয়ের সীমা (TSMIT) এবং কোর স্কিলস ইনকাম থ্রেশহোল্ড (CSIT) বছরে ৭৯ হাজার ৪২৩ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দক্ষতা ধারার (Specialist Skills Pathway) ক্ষেত্রে ন্যূনতম বার্ষিক আয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৭৬ ডলার।
এ ছাড়া ভিসা প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পর্যালোচনার আবেদন ফি বেড়ে ৩ হাজার ৭২৭ ডলার এবং ফেডারেল কোর্টে আবেদন দাখিলের ফি ৪ হাজার ১৮০ ডলারে উন্নীত হয়েছে।
ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শিল্পখাতের সংগঠনগুলো। তাদের মতে, আবেদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষা, পর্যটন এবং বিদেশি দক্ষ কর্মী আকর্ষণে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র দপ্তরের নতুন বিধিমালা অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ বা তার পর জমা দেওয়া সব ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে নতুন ফি কার্যকর হবে। এর আগে জমা দেওয়া আবেদনগুলো আগের ফি কাঠামোর আওতায় নিষ্পত্তি করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন