প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনাজপুরে, কখনো প্রশাসন আবার কখনো পুলিশ ক্যাডারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয়ে তরুণীদের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে মোশাররফ হোসেন নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে দিনাজপুর শহরের কালুর মোড় এলাকার একটি ছাত্রাবাস থেকে শিক্ষার্থীরা তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। অভিযুক্ত মোশাররফের বাড়ি চিরিরবন্দর উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের নওখৈর গ্রামে। শিক্ষকদের তৎপরতায় ভুয়া কর্মকর্তার আসল রূপ বেরিয়ে আসে।
অভিযোগ রয়েছে, মোশাররফ নিজেকে ছিয়াচল্লিশতম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডার, সাতাশতম বিসিএসে পররাষ্ট্র এবং ঊনপঞ্চাশতম বিসিএসে পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত বলে দাবি করতেন। নামীদামি ব্র্যান্ডের পোশাক পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশ করে তিনি তরুণীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। ছাত্রাবাসে ওঠার পর তার আচরণ নিয়ে সন্দহ তৈরি হলে শিক্ষার্থীরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় তিনি নিজেকে কেবল এসএসসি পাস বলে স্বীকার করেন এবং তার প্রতারণার নানা তথ্য প্রকাশ পায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটকের খবর পেয়ে রাঙামাটি থেকে এক তরুণী এবং নীলফামারী থেকে এক অভিভাবক দিনাজপুরে ছুটে এসেছেন। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে তার অ্যাকাউন্টে লাখ লাখ টাকা লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে। রাঙামাটি থেকে আসা ভুক্তভোগী তরুণী জানান, সমস্যা সমাধানের নাম করে মোশাররফ তার কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন এবং পরে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন।
এ ঘটনায় ইতোমধ্যেই কক্সবাজার থানায় তার বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নূরনবী জানিয়েছেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী অন্যান্যদের অভিযোগগুলো গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন