প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রস্তাব পাওয়ার পর মাত্র চার দিনের মধ্যে শুটিংয়ে অংশ নিতে শুরু করেন ক্রিস্টাল ডি’সুজা। আলোচিত ছবি ‘ধুরন্ধর’-এর জনপ্রিয় গান ‘শরারত’-এ কাজ করার সুযোগ কিভাবে তার কাছে এসেছে, সেই বিষয়টি সম্প্রতি শেয়ার করেছেন অভিনেত্রী।
ক্রিস্টাল জানান, তিনি যখন বাড়িতে বান্ধবীদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিলেন, তখন আচমকাই পরিচালক মুকেশ ছাবরার ফোন পান। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে জানানো হয়, মাত্র চার দিনের মধ্যে একটি গানের শুটিং রয়েছে। একজন অভিনেত্রীকে প্রাথমিকভাবে পছন্দ করা হয়েছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। এজন্য ছবির টিম ক্রিস্টালের সঙ্গে কথা বলতে চায়।
এমন আকস্মিক প্রস্তাব পেয়ে অভিনেত্রী প্রথমে কিছুটা সময় চেয়ে ফোনটি রেখে দেন। পরে তিনি বান্ধবীদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তার বন্ধুরা একসঙ্গে তাকে প্রস্তাবটি গ্রহণ করার জন্য উৎসাহিত করেন। শেষ পর্যন্ত রাজি হয়ে যান ক্রিস্টাল।
তবে এই কাজের আগে বড় পর্দায় এমন গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তার ছিল না। ক্রিস্টাল জানান, তিনি পেশাদার নৃত্যশিল্পী নন। বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নাচ করলেও সিনেমার বড় বাজেটের গানে পারফর্ম করা ছিল তার জন্য একেবারেই নতুন অভিজ্ঞতা।
শুটিংয়ের সময় ছবিটি কতটা সফল হবে, তা তিনি বুঝতে পারেননি। অভিনেত্রীর দাবি, শুরুতে ‘ধুরন্ধর’ সম্পর্কে তার কাছে খুব বেশি তথ্যও দেওয়া হয়নি। শুধু জানানো হয়েছিল, ছবিতে একাধিক বড় তারকা রয়েছেন এবং এটি একটি বড় বাজেটের প্রজেক্ট।
রিহার্সালে গিয়ে ছবিটির পরিসর সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পান ক্রিস্টাল। পরিচালক আদিত্য ধর ও কোরিয়োগ্রাফার বিজয় গঙ্গোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে একের পর এক নাচের স্টেপ অনুশীলন করতে হয় তাকে। তখনও গানের হুক স্টেপ চূড়ান্ত হয়নি। প্রায় ১১টি আলাদা স্টেপ শেখার পর শেষ পর্যন্ত তাকে গানের জন্য নির্বাচিত করা হয়।
এই অভিজ্ঞতা নিয়ে ক্রিস্টাল জানিয়েছেন, শুরুতে তিনি বেশ ভয় পেয়েছিলেন। মাত্র কয়েক দিনের প্রস্তুতিতে এমন একটি বড় প্রজেক্টে কাজ করার চাপ ছিল যথেষ্ট।
‘শরারত’ গানে ক্রিস্টালের সঙ্গে আয়েশা খানকেও দেখা গেছে। ছবির গল্প অনুযায়ী, করাচির একটি অভিজাত বিয়ের অনুষ্ঠানে তারা দুই নৃত্যশিল্পীর চরিত্রে পারফর্ম করেন। গানটির সুর দিয়েছেন শাশ্বত সচদেব। কণ্ঠ দিয়েছেন মধুবন্তী বাগচী ও জৈস্মিন সৈন্ডলার। কোরিয়োগ্রাফি করেছেন বিজয় গঙ্গোপাধ্যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন