প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভেনেজুয়েলা বুধবার প্রস্তুতিমূলক মহড়া চালিয়েছে, যা জুনের জোড়া ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কারাকাসের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থাপিত অস্থায়ী টার্মিনালগুলো পরীক্ষা করার জন্য।
সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি লা গুয়াইরা রাজ্যে অবস্থিত। উল্লেখ্য, ২৪ জুন ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের কারণে এই রাজ্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারাকাস থেকে পরিচালিত এএফপি বার্তা সংস্থা এ বিষয়ে খবর নিশ্চিত করেছে।
ভূমিকম্পের ফলে ৬ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং বহু ভবন ধসে পড়েছে। বিমানবন্দরের অবকাঠামোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রধান রানওয়েটিও ভেঙে পড়েছে। ফলে, কয়েক সপ্তাহ ধরে বিমানবন্দরটির কার্যক্রম মানবিক সহায়তার ফ্লাইট পর্যন্ত সীমিত ছিল।
বুধবারের মহড়ায় বিমানবন্দরটির কিছু ক্রিটিক্যাল এলাকা পরীক্ষা করা হয়, যার মাধ্যমে বিমানবন্দরটি আগের সক্ষমতার ৪০ শতাংশে আবার কার্যক্রম চালানোর উপযোগী হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর জানুয়ারিতে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ডেলসি রড্রিগেজ, যত দ্রুত সম্ভব বিমানবন্দরটি পুনরায় চালুর পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন।
ভূমিকম্পের পর যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে কারিগরি ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করে ভেনেজুয়েলার বিমান চলাচল কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোর বাইরে বিশাল তাঁবুতে দু’টি অস্থায়ী বহির্গমন টার্মিনাল এবং আরও দুটি আগমন টার্মিনাল স্থাপন করা হয়েছে।
৫ আগস্ট থেকে কার্গো ফ্লাইট পুনরায় চালু হয়েছে। তবে যাত্রীবাহী ফ্লাইট কবে চালু হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন