প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডগুলোকে পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে পরিচালনা করতে হবে, এই মন্তব্যটি করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
তিনি শনিবার বিকালে ফটিকছড়ির হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নে হাজারীখিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে সাম্প্রতিক দুর্ঘটনার সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ‘সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে যে ঘটনা ঘটেছে, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। এই শিল্পটা আসলে একটা ঝুঁকিপূর্ণ শিল্প। যারা এই শিল্প পরিচালনা করছেন, তাদের আরো দায়বদ্ধ ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। তাহলে আমরা এটা থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পেতে পারি।’
গ্রিন শিপইয়ার্ডের বিষয়ে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘সীতাকুণ্ডে বর্তমানে ছয়টি গ্রিন শিপইয়ার্ড আছে, যেগুলো হংকং কনভেনশনের অনুমোদন নিয়ে করা হয়েছে। আর বাকিগুলো পুরোনো পদ্ধতিতে চলছে। সবমিলিয়ে এখানে ২৫টি শিপ রিসাইক্লিং চলছে।’
শিপইয়ার্ড পরিচালনার পদ্ধতি পরিবর্তনের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন এসেছি। মাঝখানে তাদের সঙ্গে বসেছিলাম। আমরা আস্তে আস্তে চেষ্টা করব তাদের সঙ্গে আরো বসার। তাদের সময় দিচ্ছি। তাদের যে পদ্ধতি আছে, সেটি পরিবর্তন করতে হবে। আমরা চাই শিপইয়ার্ডগুলো পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে পরিচালিত হোক। সেটার জন্য আমরা বসছি।’
সরকারের পরিবেশ সুরক্ষার উদ্যোগ তুলে ধরে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর আমরা ব্রিকফিল্ডের সঙ্গে বসেছি, বিকেএমইএ, বিজিগমইএ, বিটিএমইএ- সবার সঙ্গে বসছি। আমরা চেষ্টা করছি নদীদূষণ, পানিদূষণ, শব্দদূষণ, বায়ুদূষণ- প্রতিটি সেক্টর নিয়ে কাজ করার। প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেকটি সেক্টর থেকে আপডেট নিচ্ছেন। তবে এগুলো ঠিক করতে একটু সময় লাগবে।’
এ সময় চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরীসহ বনবিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন