প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রথমে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সব ব্যাংক খুব শিগগিরই মোবাইল ফোন কেনার জন্য ইএমআই বা কিস্তি সুবিধা প্রদান করবে। এ সম্পর্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।
রবিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিযোগাযোগ খাত নিয়ে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ তথ্যটি তুলে ধরেন।
এই গোলটেবিল বৈঠকটি টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ বা টিআরএনবির উদ্যোগে আয়োজন করা হয়, যেখানে টেলিযোগাযোগ খাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এতে রেহান আসাদ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, সিম ট্যাক্স প্রত্যাহারের সুবিধা গ্রাহকরা কিভাবে পাচ্ছেন, সেটির জবাব দিতে হবে টেলিকম অপারেটরদের।
তিনি আরও জানান, টেলিকম খাত দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে বড় অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এই খাত থেকে ১৫ শতাংশ জিডিপির অবদান আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া, সরকার এ খাতের উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য বিশ্বের শীর্ষ ২০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে স্থান দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে এবং এজন্য একটি পাঁচ বছর মেয়াদি রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। বাজেটের পর এই রোডম্যাপ প্রকাশ করা হবে, যা সম্পূর্ণ পূর্বানুমেয় হবে এবং এতে কোনো প্রকার অনিশ্চয়তা থাকবে না।
এ প্রসঙ্গে বলেন, গত ছয় সপ্তাহে টেলিকম খাত সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকগুলোতে উপস্থাপিত হওয়া তাদের চাহিদা, সমস্যা এবং প্রত্যাশা শোনা হয়েছে। এদিকে, টেলিকম খাতের করহার তুলনামূলকভাবে বেশি, কিন্তু দেশের সামগ্রিক ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত এখনও কম। বর্তমানে টেলিকম খাত সরকারী রাজস্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস।
এবারের বাজেটে কর কমানোর সম্ভাব্য প্রভাবের ওপর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘একটি বাজেটে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব না হলেও, সরকার বাস্তবভিত্তিক সমাধানে উদ্যেগ নিচ্ছে। গার্মেন্টস খাতের মতো, বাংলাদেশকে একটি হাব করতে আমরা ইলেকট্রনিকস খাতেও তেমন সুযোগ সুবিধা দেব।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন