প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ আজ সংসদে এক সদস্যের প্রশ্নের জবাবে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করেছেন।
মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে স্বাদু পানিতে উৎপাদিত মাছের পরিমাণ ৪৫.৪৩ লাখ মেট্রিক টন। তিনি আজ সংসদে নরসিংদী-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের টেবিলে উপস্থাপিত তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, স্বাদু পানির মৎস্যসম্পদ রক্ষায় মৎস্য অধিদপ্তর বিভিন্ন কার্যকরী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে আইন ও নীতিমালার যথাযথ প্রয়োগ, জলজ পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দূষণ নিয়ন্ত্রণ।
তিনি জানান, মাছের প্রজনন ক্ষেত্র, আবাসস্থল ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিয়মিত জরিপ, গবেষণা এবং পুনরুদ্ধারমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার গৃহীত খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে দেশের খাল, বিল ও উন্মুক্ত জলাশয়ের নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে পানির প্রবাহ উন্নত হবে এবং জলজ পরিবেশে দূষণের মাত্রা হ্রাস পাবে, যা মাছের উৎপাদনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তবে, মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, স্বাদু পানির মৎস্যসম্পদ রক্ষায় শুধু মৎস্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। শিল্পবর্জ্য নিয়ন্ত্রণে শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, শিল্পকারখানায় কার্যকর ইটিপি স্থাপন ও তা নিয়মিত চালু রাখা অত্যন্ত জরুরি। যথাযথ তদারকি ছাড়া শিল্পবর্জ্য নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, যা না হলে স্বাদু পানির মৎস্যসম্পদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সমন্বিত উদ্যোগ ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের স্বাদু পানির মৎস্যসম্পদ আরও সমৃদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যতে উৎপাদন টেকসইভাবে বৃদ্ধি পাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন