প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুর্যোগ পরিস্থিতির মোকাবেলায় রাঙ্গামাটিতে মোট ৪৪টি আশ্রয়কেন্দ্র সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এটি জানিয়েছে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি।
বর্ষা মৌসুমে বন্যা ও পাহাড় ধসসহ সম্ভাব্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য, আগাম সতর্কতা গ্রহণ এবং ত্রাণ কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভূঁইয়া এবং সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারেক সেকান্দার।
এছাড়া, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা সভায় অংশগ্রহণ করেন, এবং রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।
সভায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, পার্বত্য অঞ্চলে টানা ১২ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টিপাত হলে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি বহু গুণ বেড়ে যায়। এই ঝুঁকি এড়াতে পাহাড়ের ঢালে এবং পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে ১১টি এবং পুরো জেলায় সর্বমোট ৪৪টি আশ্রয়কেন্দ্র সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী বলেন, যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি যাতে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনা যায় এবং সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তার জন্য সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে একযোগে কাজ করতে হবে। বর্ষা মৌসুমে পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড় ধসের প্রবল আশঙ্কা থাকে। তাই জেলা এবং উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বসবাসরত জনগণকে সচেতন করতে এবং তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে আনতে মাঠ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ তৎপর থাকতে হবে।
সভায় সম্ভাব্য দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা, শুকনো খাবার ও পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী মজুত রাখা এবং দুর্যোগকালীন জরুরি যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার বিষয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন