প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে অনির্দিষ্টকালের অনশনে রয়েছেন সমাজকর্মী, উদ্ভাবক, শিক্ষা সংস্কারক ও পরিবেশবিদ সোনম ওয়াংচুক। তিনি এখন নিজেই তিনটি শর্ত দিয়েছেন যেন তাঁর অনশন ভাঙা সম্ভব হয়। এ ব্যাপারে তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন যে, হাসপাতালে তার চলাফেরা, বক্তব্য দেওয়া এবং যোগাযোগের স্বাধীনতা সীমিত করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইন্ডিয়া এ প্রসঙ্গে আলোকপাত করেছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাতে সাফদারজং হাসপাতাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি বার্তায় সোনম ওয়াংচুক জানান যে, আগামী ২০ জুলাই তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ হলে তিনি অনশন ভাঙবেন। প্রথম শর্ত হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ সাম্প্রতিক শিক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতার দায় সরকারকে স্বীকার করতে হবে। দ্বিতীয় শর্তে তিনি বলেছেন, যদি তিনি এবং ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্ব সংসদ ভবনের সামনে পৌঁছাতে পারেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্য ও নেতারা আশ্বাস দেন যে তারা এ বিষয়গুলো সংসদে উত্থাপন করবেন, তবে তিনি অনশন শেষ করবেন। তিনি তৃতীয় শর্তে বলেছেন, যদি শারীরিক অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে সংসদে যাওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্য ও নেতারা হাসপাতালে এসে একই আশ্বাস দিলেও তিনি অনশন ভাঙবেন। বার্তার শেষে সোনম ওয়াংচুক দাবি করেন যে, তিনি সাফদারজং হাসপাতালে ‘অবৈধভাবে আটকে’ রয়েছেন। সেখানে তার চলাফেরা, মত প্রকাশ এবং যোগাযোগের স্বাধীনতা সীমিত করা হয়েছে। এর আগে তিনি আরেকটি বার্তায় ২০ জুলাইয়ের সংসদ চলো কর্মসূচিকে ভারতের দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সমর্থকদের কর্মসূচি সফল করতে আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে সংসদ চলো কর্মসূচিকে ঘিরে দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সোনম ওয়াংচুক ২৮ জুন থেকে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ, পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে অংশ নিয়ে অনির্দিষ্টকালের অনশনে রয়েছেন। দীর্ঘদিন অনশনে থাকার ফলে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার (১৮ জুলাই) তাকে জোরপূর্বক নেওয়া হয় সাফদারজং হাসপাতালে। পরে দিল্লি উচ্চ আদালত জানায়, তার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনায় হাসপাতাল ভর্তি করার সরকারি সিদ্ধান্ত ইচ্ছাকৃত বা অযৌক্তিক নয় এবং চিকিৎসকেরা তার স্বাস্থ্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন