প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা। দুই যুগ আগে ঢালিউডে তার অভিষেক ঘটে এবং এরপর থেকে একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। তার অভিনয়ে যে দর্শক বিমোহিত হয়েছেন, তেমনই সৌন্দর্যে তিনি তিন প্রজন্মকে মাত করে রেখেছেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে শৈশবের একটি মিষ্টি ছবি শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী এবং নস্টালজিয়ায় ভুগছেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘ছোটবেলায় ফিরে যেতে চায় মন...’। পূর্ণিমার আবেগঘন পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার হওয়ার পরপরই তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। ছবিতে তার ডাগর চোখের চাউনি আর ঠোঁটের কোণের পরিচিত হাসির ঝলক দেখে ভক্তরা মুগ্ধ হয়েছেন।
শেয়ার করা সাদা-কালো ধাঁচের রঙিন ছবিটিতে শৈশবের এক অপরূপ পূর্ণিমাকে আবিষ্কার করা যায়। ছবিতে দেখা যায়, ছোট্ট পূর্ণিমা একটি ধবধবে সাদা রঙের ফ্রক পরে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন, যার বাম কাঁধের কুঁচকানো নকশাটি নব্বই দশকের ফ্যাশনকে মনে করিয়ে দেয়।
গলায় একটি চিকন সোনার চেইন ও ঝুলন্ত লকেট রয়েছে, কানে মানানসই দুল এবং ডান হাতে একটি সোনালী রঙের নিখুঁত বালা জড়ানো। কপালে এসে পড়া আলতো কোঁকড়ানো চুল আর নখে লাল নেলপলিশ পরা হাতটি নিচে রেখে তার ডাগর চোখের এই চাউনি যেন এক অভিজাত ও সরল শৈশবের প্রতিচ্ছবি।
পরিচালক জাকির হোসেন রাজুর পরিচালনায় ‘এ জীবন তোমার আমার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে মাত্র ১৭ বছর বয়সে রিয়াজের বিপরীতে তার অভিষেক ঘটে পূর্ণিমার।
২০১০ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না’ চলচ্চিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। বর্তমানে বিভিন্ন জনপ্রিয় টিভি শো ও জমকালো অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের সঞ্চালক হিসেবে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন