প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির আজ দুদকের পৃথক দু’টি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
শাজাহান খানের ব্যাপারে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি শাজাহান খান পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে ১১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখে অপরাধমূলক অসদাচরণ করেছেন। সেইসঙ্গে ৯টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনক ৮৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা লেনদেন করে মানিলন্ডারিং করেছেন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে তার বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। তিনি একজন আয়করদাতা।
আবেদনে আরো দাবি করা হয়, আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সালের ১২ নম্বর আইন) এর ৩০৯(৩)ক ধারার আওতায় আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহের জন্য আদালতের আদেশ প্রয়োজন। ওই আইন অনুযায়ী শাজাহান খানের আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের মূলকপি জব্দ এবং মামলার তদন্তকালে পর্যালোচনার জন্য সত্যায়িত ছায়ালিপি সরবরাহের আদেশ অত্যন্ত জরুরি।
সৈয়দা রোকেয়া বেগমের ব্যাপারে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি সৈয়দা রোকেয়া বেগম ও তার স্বামী সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকার মূল্যের সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রাখার দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে মামলা দায়ের করা হয়।
তদন্তকালে প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, সৈয়দা রোকেয়া বেগমও একজন আয়করদাতা। পাশাপাশি আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সালের ১২ নম্বর আইন) এর ৩০৯(৩)ক ধারার বিধান অনুসারে তার আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেক্ডপত্র সংগ্রহ করতে আদালতের আদেশ আবশ্যক। তাই, সৈয়দা রোকেয়া বেগমের আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের মূলকপি জব্দ এবং মামলার তদন্তকালে পর্যালোচনার জন্য সত্যায়িত ছায়ালিপি সরবরাহের আদেশ অত্যাবশ্যক।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন