প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম মন্তব্য করেছেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনকৃত ‘এসডিজি ভিলেজ’ অন্তর্ভুক্ত রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি গ্রাম, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রাম এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর গ্রামসহ অন্যান্য বেশ কিছু গ্রাম নিয়ে পর্যটন স্পট তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বুধবার, রাজধানী ঢাকার পর্যটন ভবনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের উদ্যোগে ইকো-ট্যুরিজম প্রসারে সরকারি-বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধি শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতার। এছাড়াও, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান।
সেমিনারের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্বে) মো. আব্দুর রউ।
মন্ত্রী আফরোজা খানম প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, আমাদের স্বাধীনতার ৫৫ বছর হলেও পর্যটন খাতে উন্নয়নের দিক দিয়ে নজির তুলনামূলক কম রয়েছে। বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে একটি ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের মাত্র ৫ মাসের সময়ে আমরা পর্যটন খাতের উন্নয়ন উদ্দেশ্যে একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তবে, দেশকে ট্যুরিজম হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার যাত্রা সহজ হবে না। ফলে এ যাত্রায় সকল অংশীজনদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে চাই। আমাদেরকে যেকোনো উন্নয়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার যাচাই করতে হবে। এজন্য আমরা প্রতি মাসে বেসরকারি অংশীদারদের নিয়ে আলোচনা করতে চাই, যাতে সরকারি এবং বেসরকারি খাতের মধ্যে তথ্যের ঘাটতি না থাকে।
তিনি আরও জানান, সরকারের উদ্দেশ্য পুরো বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার পর্যটন সম্ভাব্য স্থানগুলোকে চিহ্নিত করে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।
সচিব ফাহমিদা আখতার বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়নে তথ্যের ঘাটতি দূর করার জন্য আমরা ইতোমধ্যে Tourism Satellite Account (TSA) এর কাজ শুরু করে ফেলেছি। তাছাড়া ইকো-ট্যুরিজম নীতিমালা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। পূর্বের সময়ে সমন্বয়হীনতার কারণে খাতে অগ্রগতি সম্ভব হয়নি। তবে, আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমরা সমন্বয়হীনতা দূর করে পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে পারব।
সেমিনারে বাংলাদেশে ইকো-ট্যুরিজমের গুরুত্ব, বর্তমানে ইকো-ট্যুরিজমের অবস্থা, ইকো-ট্যুরিজমের উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ, উন্নয়ন কর্ম পরিকল্পনা এবং করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা পরিচালিত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন