প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযানে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো. সোহাগ মণ্ডল (২১) নামে একজনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। তবে চোরাই মালামালের মূল মালিক ও অভিযুক্ত চোরাকারবারি নুর ইসলাম পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাত ১০টার দিকে ভূরুঙ্গামারী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটক সোহাগ মণ্ডল (২১) ফুলবাড়ী উপজেলার কবির মামুদ (৩ নম্বর ওয়ার্ড) গ্রামের বাসিন্দা। তিনি লুৎফর রহমান ও শাহিদা বেগমের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের সার্বিক নির্দেশনায় ভূরুঙ্গামারী থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. আলিউল ইসলাম সাদাপোশাকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে অভিযান চালিয়ে সোহাগ মণ্ডলকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ফোনের ডিসপ্লেসহ আটক করেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, জব্দকৃত ডিসপ্লেগুলো অবৈধভাবে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়েছে। এগুলো রাজধানী ঢাকায় পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল। পুলিশ দাবি করেছে, বাঁশজানি এলাকার নুর ইসলাম নামে এক চিহ্নিত চোরাকারবারি এসব পণ্য সীমান্ত পেরিয়ে দেশে এনে পাচারের সঙ্গে জড়িত। তবে অভিযানের খবর পেয়ে তিনি পালিয়ে যান।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের বাঁশজানি সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালানের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সীমান্তসংলগ্ন ওই এলাকার কয়েকজন চোরাকারবারি বিভিন্ন ভারতীয় পণ্য দেশে এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে থাকে। জব্দকৃত মোবাইল ফোনের ডিসপ্লেগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। ভূরুঙ্গামারীকে মাদক ও চোরাচালানমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে পুলিশের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।” তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
উল্লেখ্য, চার মাস আগেও তিলাই ইউনিয়নে বিজিবি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ডিসপ্লে জব্দ করেছিল। তবে সে সময় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন