প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কাকার বাড়ি থেকে স্বর্ণ চুরি করে সেই টাকায় গাড়ি কিনেছিল যুবক। নতুন গাড়ির পূজার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল কাকাকেও। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। স্বর্ণ চুরির তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশের জালে ধরা পড়ে যায় চোর। ঘটনাটি ভারতের মহারাষ্ট্রের কোলহাপুর জেলার পনহালা তহসিলের সাতভে গ্রামে ঘটেছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাসখানেক আগে ১৯ বছর বয়সী সমর চ্যবন তার কাকার বাড়ি থেকে ১৫ ভরি সোনার গহনা চুরি করে। এরপর স্থানীয় জুয়েলার্স সংগ্রাম বাবাসো মোরের সহায়তায় সমর সেই স্বর্ণ ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করে। পরে ওই টাকা দিয়ে সে একটি নতুন মহিন্দ্রা থার গাড়ি কেনে। সমর চ্যবন তার কাকা উমেশ মারুতি চ্যবনের বাড়ির পাশেই বসবাস করে।
এ পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক চলছিল। তবে ঘটনা নাটকীয় মোড় নেয় সম্প্রতি দশেরা উৎসবের সময়, যখন সমর নতুন গাড়িটির পূজার আয়োজন করে। পূজায় সমর তার কাকাকেও আমন্ত্রণ জানায়। ভাইপোর নতুন গাড়ির পূজার অনুষ্ঠানে পরার জন্য উমেশ যখন নিজের গহনা খুঁজতে যান, তখন তিনি আবিষ্কার করেন যে তার গহনাগুলো গায়েব হয়ে গেছে। পরিবারের মধ্যে আরও বেশি সন্দেহের সৃষ্টি হয় যখন তারা লক্ষ্য করে যে পাশেই রাখা উমেশের ঠাকুমার গহনাগুলোতে কেউ হাত দেয়নি। শুধু উমেশ এবং তার স্ত্রীর গহনাগুলোই চুরি হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে পরিবারটি নিশ্চিত হয় যে চুরির পেছনে ভেতরের বা খুব কাছের কোনো মানুষের হাত রয়েছে।
এরপর উমেশ চ্যবন গহনা চুরির বিষয়ে কোডোলি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ এই মামলার তদন্ত শুরু করে। তদন্ত চলাকালীন পুলিশের কাছে সমরের হঠাৎ করে নতুন গাড়ি কেনা এবং সেই গাড়ির টাকার উৎস নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়। পুলিশ যখন তদন্তের জাল আরও সংকীর্ণ করে আনে এবং সমরকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে, তখন সে চুরির কথা স্বীকার করে নেয়।
চুরির অপরাধ স্বীকার করার পর কোডোলি থানার পুলিশ গত বৃহস্পতিবার সমর চ্যবন এবং সোনা ব্যবসায়ী সংগ্রাম মোরে-কে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন