প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিল্লির ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং ক্ষমতাসীন বিজেপির মধ্যে পালটাপালটি অভিযোগের ফলে রাজনৈতিক বিতর্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ তুলেছেন রাহুল।
রোববার (১ নভেম্বর) ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া জোটের সমাবেশ ও মিছিলে নেতৃত্ব দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দিয়েছে, যার ফলে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিতে আসা মানুষজন কেনাকাটা করতে পারছেন না।
ভিডিওতে রাহুল গান্ধী বলেন, "মিছিল ও সমাবেশে আসার সময় সবাইকে কেনাকাটা করতে এবং কিছু জিনিসপত্র কিনতে বলা হয়েছিল। কিন্তু কনট প্লেসে যাওয়ার পথে তাঁরা জানতে পারেন, বিজেপি জোর করে প্রতিটি দোকান বন্ধ করে দিয়েছে।" তিনি মন্তব্য করেন, "ব্যবসায়ীদের ক্ষতি কারা করছে এবং কীভাবে করছে, তা সবার জানা উচিত।" এর আগে উৎসবের মৌসুমে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতির জন্য বিজেপি নেতারা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসকে দায়ী করেছিলেন।
ধনতেরাস, দীপাবলি ও ছট পূজার প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডা বলেন, "ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফুটপাতের বিক্রেতা ও দোকানিরা বছরের আয়ের বড় একটি অংশ এসব উৎসবের সময়ে উপার্জন করেন।" তিনি অভিযোগ করেন, "ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আর্থিক সংকটের প্রতি উদাসীন রাহুল গান্ধী।"
নাড্ডা আরও বলেন, চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিটিআই) পক্ষ থেকে রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। ওই চিঠিতে উৎসবের মৌসুমে দিল্লিতে বড় রাজনৈতিক সমাবেশ আয়োজন না করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল।
নাড্ডার দাবি, আগের প্রতিবাদ কর্মসূচির কারণে দিল্লির ব্যবসায়ীদের প্রায় ৩ হাজার কোটি রুপির ক্ষতি হয়েছে। সর্বশেষ সমাবেশের কারণে ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার কোটি রুপি ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন