প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন সমসাময়িক রাজনৈতিক এবং সামাজিক ইস্যু নিয়ে সরব থাকেন।
তার ফেসবুক পেইজ বা প্রোফাইল থেকে দেশের অনেক বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনা, নীতি এবং বিভিন্ন ব্যক্তির কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত মতামত ও স্ট্যাটাস প্রদান করেন। সম্প্রতি, তিনি মসজিদের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা বিষয়ক একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার এই ফেসবুক স্ট্যাটাসটি আমার দেশের পাঠকদের হুবহু তুলে ধরা হলো।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন—
জনাব তারেক রহমান, যখন আপনি মসজিদের ইমাম এবং মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতার ব্যবস্থা করেন, তখন আপনাকে ধন্যবাদ জানাই।
কিন্তু এখন স্থানীয় পর্যায়ে যে পরিস্থিতি শুরু হয়েছে, তার চেয়ে লজ্জাজনক আর কিছু হতে পারে না। গ্রাম পর্যায়ে অধিকাংশ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনরা কখনোই তেমন কোনো সম্মানী পেতেন না। যদি কিছু কিছু জায়গায় সম্মানী পেয়ে থাকেন, তবে সেটা খুব সামান্য। বছরের পর বছর ধরে তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাশ্রম হিসেবে ইমাম-মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
এই মহান দায়িত্বটিকে যে ব্যক্তি পালন করেন, তার দ্বারা স্বাধীনভাবে অন্য ফুলটাইম কাজ করা সম্ভব নয় বললেই চলে। কারণ প্রতিদিন পাঁচবার ওই নির্দিষ্ট সময়ে তাকে মসজিদে হাজির হতেই হয়। তবুও অসংখ্য মানুষ এই মহান দায়িত্ব পালন করে গেছেন কোন কিছু পাওয়ার আশা ছাড়া।
আমরা তো মনে করেছিলাম যুগের পর যুগ ধরে যে মানুষগুলো এত কষ্ট করে কাজ করেছেন, তাদের কাছে হয়তো এই রাষ্ট্রীয় সম্মানীটা পৌঁছাবে। কিন্তু হায় আফসোস! আপনার বিএনপির স্থানীয় নেতারা এখন মসজিদগুলোকে দলীয়করণ এবং লুটপাটের ক্ষেত্র হিসেবে নির্ধারণ করেছে।
যেসব মসজিদগুলোর ইমাম এবং মুয়াজ্জিনকে সম্মানীর আওতায় আনা হচ্ছে, সেখানে তারা নতুন করে বিএনপিপন্থি ইমাম-মুয়াজ্জিনকে দলীয়ভাবে নিয়োগ দেওয়া শুরু করেছে! বছরের পর বছর ধরে যারা মহান আল্লাহ ও মসজিদের খেদমতে সময় দিয়েছেন, তাদেরকে অপদস্থ করে জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে! ধিক্কার!
এমন একজন ইমাম সাহেব আমাকে ফোনে বললেন, আপনি তারেক রহমানের কাছে শুধু আমার একটি কথা পৌঁছে দিবেন। আপনার সম্মানী এখন অনেক মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনের জন্য অভিশাপন এবং সম্মানহানীর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, একজন ইমামের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ পুরো সমাজকে আপনার বিরুদ্ধে এবং আপনার দলের বিরুদ্ধে দাঁড় করাবে। দুনিয়া এবং আখিরাতে এই বিষয়টি গ্রহণের সক্ষমতা আপনার বা আপনার দলের কারোরই নেই। সময় থাকতে কঠোর নির্দেশনা দিন। অন্যথায় সাধারণ মুসল্লিরা এই অবিচার প্রতিরোধ করবে ইনশাআল্লাহ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন